ইতালির নাগরিক সিজার তাবেলা খুনের ঘটনায় তিনজনকে খুঁজছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। সিজারের হত্যার ঘটনাস্থলের কাছের একটি বাড়ির সিসিটিভির ফুটেজ সংগ্রহ করে ওই তিনজনকে শনাক্ত করে তারা।

সিজার তাবেলার খুনের মামলাটি ছয়টি কারণ সামনে রেখে তদন্ত শুরু করছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এরমধ্যে সিজারের ব্যক্তিগত, কর্মস্থলের ও গুলশানকেন্দ্রিক শত্রুতার জের এবং নারীঘটিত বিষয় রয়েছে। সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে রাজনৈতিক কারণে এ খুনের ঘটনা ঘটেছে কি না, তা-ও বিবেচনায় নিয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তারা।



এ ছাড়া ইতালিতে লোক পাঠানোর মতো কোনো কিছুর যৌক্তিকতা এ ঘটনার পেছনে আছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে তদন্ত দলগুলোর কাছে আশপাশের ভবনের সিসিটিভির ফুটেজই ছিল ঘটনা অনুসন্ধানের শেষ সম্বল। ঠিক এ ধরনের একটি সিসিটিভির ফুটেজ এসেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে।

ফুটেজে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দেখেন, মোটরসাইকেল করে দুজন ও মুঠোফোনে কথা বলা অবস্থায় আরেকজন ঘটনাস্থল পার হচ্ছেন। ওই তিনজনকে আটক করতে পারলে সিজার তাবেলা হত্যা মামলার বিরাট অগ্রগতি হবে বলে তাঁরা মনে করছেন।

গত ২৮ সেপ্টেম্বর সোমবার সন্ধ্যায় গুলশান-২ নম্বরের ৯০ নম্বর সড়কের গভর্নর হাউসের দক্ষিণ পাশের সীমানাপ্রাচীর ঘেঁষে ফুটপাতে দুই অস্ত্রধারী সিজারকে (৫০) রিভলবার দিয়ে পর পর তিনটি গুলি করে। খুনিরা অপেক্ষায় থাকা একজনের মোটরসাইকেলে চড়ে ৮৩ নম্বর সড়ক ধরে দ্রুত পালিয়ে যায়। পরে গুলশানের ইউনাইটেড হাসপাতালে সিজারের মৃত্যু হয়। তিনি নেদারল্যান্ডসভিত্তিক আইসিসিও কো-অপারেশন নামে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রুফ (প্রফিটেবল অপরচুনিটিজ ফর ফুড সিকিউরিটি) কর্মসূচির প্রকল্প ব্যবস্থাপক ছিলেন।

খবর ফোকাস বাংলার।

এআই