ব্যাংক ঋণের মামলায় একজন মন্ত্রী তদবিরের জন্য বিচারপতিকে ফোন করায় মামলা শুনেনি হাইকোর্টের বেঞ্চ। মামলাটি না শুনে প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠিয়ে দেন সংশ্লিষ্ট বেঞ্চ। এনিয়ে বিচার বিভাগে আলোচনার ঝড় উঠেছে। মন্ত্রীর ফোন করা নিয়ে বিব্রত বিচার বিভাগ।
সোমবার হাইকোর্টর বিচারপতি শরীফ উদ্দিন চাকলাদার ও বিচারপতি একেএম সাহিদুল হক এ আদেশ দেন।
আদেশে বলা হয়, মামলাটি আমরা শুনতে পারব না। সমস্যা আছে। তাই মামলাটি প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠিয়ে দিয়েছি।
উভয় পক্ষের আইনজীবী শুনানি না শুনার কারণ জানতে চাইলে বিচারপতিরা বলেন, এ মামলায় তদবিরের জন্য একজন মন্ত্রী টেলিফোন করেছিলেন। এজন্য মামলাটি প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে।
বরেন্দ্র ইন্টারন্যাশনাল কোম্পানির আইনজীবী অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান বলেন, যমুনা ব্যাংকের নিকট থেকে বরেন্দ্র ইন্টারন্যাশনাল কোম্পানির ৭০ লাখ টাকা ঋন নেয়। ওই ঋণের দায় দেনা হয় প্রায় ৮৪ লাখ টাকা পর্যন্ত হয়।কিন্তু ওই কোম্পানী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হলে ব্যাংক জমিটি ১ কোটি ২০ লাখ টাকায় বিক্রি করে দেয়।
তিনি বলেন, এরপরে ব্যাংকের বিরুদ্ধে মামলা করে বরেন্দ্র ইন্টারন্যাশনাল কোম্পানী। ওই মামলা ধারাবাহিক কার্য প্রক্রিয়ায় হাইকোর্টে আসে।
মন্ত্রীর ফোনের বিষয়ে জানতে চাইলে আসাদুজ্জামান বলেন, এর আগেও তদবির হতে পারে। যুদ হয়ে থাকেও তা প্রকাশ পায়নি। তবে এই প্রথম কোন মামলার কোন মন্ত্রীর সরাসরি তদবিরের বিষয়টি প্রকাশ করা হলো।
তিনি বলেন, বিচারপতির কাছে এর আগে কোন মামলার বিষযে তদবির কেরা হয়েছে কিনা বা কবে কখন করা হয়েছে তা আমাদের জানা নেই।
অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান আরো বলেন, যদি আমার মক্কেলও তদবির করে থাকেন তাহলে আমিও বরেন্দ্র কোম্পানির পক্ষে আর এই মামলা পরিচালানা করবো না।
তিনি বলেন, এভাবে মন্ত্রীরা কোনো মামলায় সরাসরি হস্তক্ষেপ করলে ন্যায় বিচার ব্যাহত হবে। তাছাড়া বিচার বিভাগ স্বাধীনতাও হারায়।
[b]ঢাকা, ৩ ফেব্রুয়ারি (টাইমনিউজবিডি.কম)// জিই[/b]
অপরাধ
বিচারপতিকে মন্ত্রীর ফোন, বিব্রত বিচার বিভাগ
ব্যাংক ঋণের মামলায় একজন মন্ত্রী তদবিরের জন্য বিচারপতিকে ফোন করায় মামলা শুনেনি হাইকোর্টের বেঞ্চ। এনিয়ে বিচার বিভাগে আলোচনার ঝড় উঠেছে। মন্ত্রীর ফোন করা নিয়ে বিব্রত বিচার বিভাগ। চারপতির





