গোপালগঞ্জের সাবেক সহকারী কমিশনার (এসিল্যান্ড)সহ ২১ জনের বিরুদ্ধে সরকারের ২ কোটি ৩১ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মামলার অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)

বৃহস্পতিবার দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯/১০৯ ধারা এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫ (২) ধারায় একটি মামলা দায়েরের অনুমোদন দেয়া হয়। যে কোনো সময় দুদকের অনুসন্ধানী কর্মকর্তা সহকারী পরিচালক মো. আলী আকবর খান সংশ্লিষ্ট থানায় এ মামলাটি দায়ের করবেন।

মামলায় আসামিদের তালিকায় রয়েছেন, গোপালগঞ্জের সহকারী কমিশনার ও সাবেক হুকুম দখল কর্মকর্তা বর্তমানে ওএসডি মো. শাহরিয়ার মতিন, গোপালগঞ্জের এল.এ. শাখার সাবেক কানুনগো রমেশ পাল, সাবেক কানুনগো সুভেন্দ্র বিকাশ মজুমদার, সাবেক কানুনগো মো. আব্দুল জব্বার, এল.এ. শাখার সাবেক সার্ভেয়ার মো. কাসেদুল হক (শামীম), সাবেক সার্ভেয়ার (বর্তমানে রাজস্ব শাখা) মো. ইসমাইল, সাবেক সার্ভেয়ার (বর্তমানে রাজস্ব শাখা) মো. মোশাররফ হোসেন,

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার হিরন গ্রামের হরিপদ সাহা, রাতান গ্রামের রিয়াজুল ইসলাম তালুকদার, সদর উপজেলার গোপালবাড়িয়া গ্রামের মো. নান্নু খান, ডহরপাড়া গ্রামের মো. নান্নু শেখ (নাঈম), শেখ ঠান্ডা, দেলোয়ার হোসেন, মো. শহিদুল ইসলাম, বংকুরা গ্রামের কেরামত আলী, মদনপাড়া গ্রামের মতিয়ার হাজরা, উরাহাটি গ্রামের গনেস ওঝা, পশ্চিমপাড়া গ্রামের সোহরাব হোসেন, উনশিয়া গ্রামের মো. ফজলুর রহমান, সোনাদিয়া গ্রামের লিটু শেখ ও চন্দ্র দীঘলিয়া গ্রামের সামসুর নাহার (বিউটি)।

অভিযোগ রয়েছে, মো. শাহরিয়ার মতিনসহ মোট ২১ আসামি পরস্পর যোগসাজশে সরকারি জমির ওপর নির্মিত অবকাঠামো-ঘরবাড়ির ক্ষতিপূরণ প্রদানের নামে জালিয়াতির মাধ্যমে সরকারের ২ কোটি ৩১ লাখ ৪৪ হাজার ৭৩২ টাকা আত্মসাৎ করেন।

মো. শাহরিয়ার মতিন সহকারী কমিশনার ও সাবেক হুকুম দখল কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত থাকাকালে গোপালগঞ্জ এল.এ. শাখার সংশ্লিষ্ট কর্মচারীদের যোগসাজশে এল. এ কেস নম্বর- ০৫/০৯-১০, ০৭/১০-১১ ও ১০/১১-১২ এর অবকাঠামো জমির ক্ষতিপূরণ প্রদানকালে সরকারি খাসজমি, অর্পিত সম্পত্তি, জেলা পরিষদের সম্পত্তিতে ঘরবাড়ি, গাছপালা, অবকাঠামো ইত্যাদির ক্ষতিপূরণের অর্থ অনিয়মের মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যক্তিদের নামে প্রদান করে।

ঢাকা,একে, ১৪ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, এআর