উৎসবমুখর পরিবেশে ঢাকা আইনজীবী সমিতির ২০১৭-২০১৮ কার্যবর্ষের দুইদিন ব্যাপী নির্বাচনে প্রথম দিনের নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
আজ বুধবার সকাল ৯টা থেকে ভোট গ্রহণ শুরু হয়ে দুপুর ১টা পর্যন্ত বিরতিহীন ভোটগ্রহণ চলে। এরপর ১টা থেকে ২টা পর্যন্ত নামাজ ও মধ্যাহ্নভোজ বিরতির পর দুপুর ২টা থেকে একটানা ৫টা পর্যন্ত ভোগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।
এ নির্বাচনে মোট ১৬ হাজার ১৯৮ জন আইনজীবী ভোটারের মধ্যে বুধবার ৩ হাজার ৫১৮ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের সদস্য অ্যাডভোকেট সৈয়দা ফরিদা ইয়াসমিন জেসি।
এদিন নির্বাচন উপলক্ষে বিএনপি দলীয় সাবেক আইন মন্ত্রী মওদুদ আহমেদ, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি জয়নাল আবেদীন ও সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উদ্দিন খোকন এবং আওয়ামী লীগ দলীয় সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন, সাবেক আইনমন্ত্রী আব্দুল মতিন খসরু, বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল বাসেদ মজুমদার উপস্থিত হয়েছিলেন। এদের মধ্যে সাহারা খাতুন এবং বাসেদ মজুমদার এদিন ভোটাধিকারও প্রয়োগ করেছেন।
নির্বাচনে অ্যাডভোকেট খন্দকার আব্দুল মান্নন প্রধান নির্বাচন কমিশনার দায়িত্ব পালন করছেন। তার অধিনে ১৯ জন নির্বাচন কমিশনার এবং ১৮১ জন সদস্য নির্বাচন কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।
নির্বাচনে মোট ২৭টি পদের জন্য ৫৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এর মধ্যে নীল প্যানেলে সভাপতি পদে মো. খোরশেদ আলম, সাধারণ সম্পাদক পদে মো. আজিজুল ইসলাম খান বাচ্চুসহ ২৭ জন।
অন্যদিকে সাদা প্যানেলে অ্যাডভোকেট আব্দুর রহমান হাওলাদার সভাপতি পদে এবং সাধারণ সম্পাদক পদে আইয়ুবুর রহমানসহ ২৭ জন। এছাড়া বঙ্গবন্ধু আইনজীবী সমিতির ব্যানারে অ্যাডভোকেট মো. হাবিবুর রহমানসহ ২ জন প্রার্থী রয়েছেন।
উল্লেখ্য, ২০১৬-২০১৭ কার্যবর্ষের নির্বাচনে ২৭টি পদের মধ্যে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ২১টি পদে আওয়ামী লীগ জায়লাভ করে। অন্যদিকে বিএনপি মাত্র ৬টি পদে জয়লাভ করে।
নীল প্যানেলের অপর প্রার্থীরা হলেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. রুহুল আমীন, সহ-সভাপতি পদে কাজী মো. আবুল বারিক, ট্রেজারার পদে মো. লুৎফর রহমান আজাদ, সিনিয়র সহ-সাধারণ সম্পাদক পদের সৈয়দ নজরুল ইসলাম, সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে মো. সারোয়ার কায়ছার রাহাত, লাইব্রেরী পদে মো. আবুল কালাম আজাদ, সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে শাহনাজ বেগম শিরীন, দপ্তর সম্পাদক পদের মো. আফানুর রহমান রুবেল, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক পদে এমএবিএম খায়রুল ইসলাম লিটন এবং খেলাধুলা সম্পাদক পদে মোহাম্মাদ জহিরুল ইসলাম কাইয়ুম।
সদস্য পদে আবু হেনা কাউছার, মো. আরিফ হোসেন তালুকদার, মো. আনোয়ার পারভেজ কাঞ্চন, মো. শহিদুল্লাহ, মো. শাহীন হোসেন, মো. শওকত উল্লাহ, মোহাম্মাদ আবুল কাশেম, মোস্তফা সারওয়ার মুরাদ, মোস্তারী আক্তার নুপুর, মোসা. মিনারা বেগম, মোসা. জেবুন্নেছা খানম জীবন, পান্না চৌধুরী, শাহনাজ পারভীন, সৈয়দ মো. মাঈনুল হোসেন অপু ও তামান্না খানম ইরিন।
সাদা প্যানেলের অপর প্রার্থীরা হলেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি কাজী শাহানারা ইয়াছমিন, সহ-সভাপতি পদে মো. মঞ্জুর আলম মঞ্জু, ট্রেজারার পদে মো. হাসিবুর রহমান দিদার, সিনিয়র সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে মোস্তাফিজুর রহমান তালুকদার দিপু, সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে মো. কামাল হোসেন পাটয়ারী, লাইব্রেরী পদে এম মনিরুজ্জামান মানিক, সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে আফরোজা ফারহানা আহমেদ অরেঞ্জ, দপ্তর সম্পাদক পদে আব্দুর রশিদ, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক পদে প্রহলাদ চন্দ্র সাহা পলাশ এবং খেলাধুলা সম্পাদক পদে সাদিয়া আফরীন শিল্পি।
সদস্য পদে, মুস্তাফিজুর রহমান সুজন, মো. মোশারফ হোসেন ভূইয়া মিশু, মো. আল আমিন সরকার, সুমন মিয়া, আহমেদ কায়েছ, শেখ সাইফুর রহমান সুমন, সজয় চক্রবর্তী, মো. সাইফুজ্জামান টিপু, মোহা. আহসান হাবীন, সাদিয়া আফরোজা, সাবিনা আক্তার দিপা, মির্জা মো. জামাল হোসেন, মো. খায়রুল ইসলাম, মাহমুদুল হাসান অ্যামি ও মো. খোরশেদ আলম পারভেজ।
এমবি





