মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ট্রাইব্যুনালের রায়ে মৃতুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মোহাম্মদ কামারুজ্জামানের মামলায় আপিলের রায় যেকোন দিন ঘোষণা করবে আপিল বিভাগ।

বুধবার আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ উভয়পক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষ হওয়ায় মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমান রাখেন।

বেঞ্চের অপর তিন বিচারপতি হলেন বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহ্হাব মিঞা, বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী ও বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী।

আজ আদালতে কামারুজ্জামানের আইনজীবী এসএম শাহজাহান তার পক্ষে শুনানি করেন। তাকে সহযোগীতা করেন অ্যাডভোকেট শিশির মো. মুনির। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

আপিল বিভাগ থেকে বের হয়ে কামারুজ্জামানের আইনজীবী এসএম শাহজাহান বলেন, ট্রাইবুনাল যে পাচঁটি অভিযোগে তাকে সাজা দিয়েছিল। আমরা ওই সব চার্জের উপর যুক্তি উপস্থাপন করেছি। আমরা আশা করি তিনি খালাস পাবেন।

গত ১৮ মে থেকে কামরুজ্জামানের মামলার আপিল শুনানি শুরু হয়। মানবতাবিরোধী অপরাধে আপিল বিভাগে কামরুজ্জামানের মামলার শুনানির জন্য একটি বিশেষ বেঞ্চ গঠন করা হয়।

এর আগে আব্দুল কাদের মোল্লা ও মাওলানা দেলওয়ার হোসাইন সাঈদীর মামলায় প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের বেঞ্চ শুনানি গ্রহণ করেছেন।

গত বছরের ৬ জুন ট্রাইব্যুনাল-২ এর দেওয়া ফাঁসির আদেশ থেকে খালাস চেয়ে আপিল করেন কামারুজ্জামান।

আপিলে ২৫৬৪টি মূল ডকুমেন্ট, ১২৪টি গ্রাউন্ডসহ সর্বমোট ১০৫ পৃষ্ঠার ডকুমেন্ট জমা দেয়া হয়েছে।

গত ৯ মে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মোহাম্মদ কামারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ড দেয়ার রায় ঘোষণা করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। তার বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের আনা ৭টি অভিযোগের মধ্যে ৫টিই সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ হওয়ায় এ রায় ঘোষণা করেন ট্রাইব্যুনাল। এছাড়া বাকী দুটি অভিযোগ প্রমানিত হয়নি মর্মে তাকে খালাস দেয়া হয়।

ঢাকা, কেএ, ১৭ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, জেএ