রাজধানীর কেরানীগঞ্জে বেশি দামে গরুর গোশত বিক্রি করায় ১১ মাংস ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর।

বুধবার ঢাকার অদূরে কেরানীগঞ্জের জিনজিরা ও কালীগঞ্জে এ অভিযান চালানো হয়। অভিযান পরিচালনা করেন অধিদফতরের ঢাকা জেলা অফিসের সহকারী পরিচালক আব্দুল জব্বার মণ্ডল এবং ঢাকা বিভাগের কার্যালয় সহকারী পরিচালক ইন্দ্রানী রায়।

জরিমানা করা দোকানগুলো হলো- জিনজিরার বাবুলের মাংসের দোকান, চাঁন মিয়ার মাংসের দোকান, করিমের মাংসের দোকান, রিপনের মাংসের দোকান, কামাল মিয়ার মাংসের দোকান, মোক্তার হোসেনের মাংসের দোকান, সাত্তারের মাংসের দোকান, মোহর আলীর মাংসের দোকান। প্রত্যেককে ৫ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়।

এছাড়া একই উপজেলার কালীগঞ্জ বাজারে অবস্থিত মায়ের দোয়া মাংসের দোকান, গাউসুল আজম মাইজভাণ্ডারী গরুর মাংসের দোকান ও বিসমিল্লাহ মাংসের দোকানকে ১০ হাজার টাকা করে ৩০ হাজার টাকাসহ মোট ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

সহকারী পরিচালক আব্দুল জব্বার মণ্ডল বলেন, রোজায় বাজারে বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে কেরানীগঞ্জে অভিযান চালানো হয়। এখানে বেশিরভাগ দোকানে ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকায় গরুর গোশত বিক্রি করা হচ্ছে। এছাড়া অনেকে আইন অনুযায়ী মূল্য তালিকা না থাকা ও দাম বেশি নেয়ায় ১১টি মাংস বিক্রির প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা হয়েছে।

গরুর গোশতের দাম নিয়ে নানাবিধ অভিযোগ থাকায় রোজার আগে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের সঙ্গে মাংস ব্যবসায়ী সমিতির বৈঠকে রোজায় মাংসের দাম নির্ধারণ করা হয়। নতুন নির্ধারিত দাম অনুযায়ী, রমজান মাসে দেশি গরুর গোশত ৫২৫, বোল্ডার (বিদেশি) গরুর গোশত ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

এমআর