নবনিযুক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। রোববার সকালে দায়িত্ব গ্রহণের পর অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে বসেন তিনি। গত ২৭ সেপ্টেম্বর মাহবুবে আলমের মৃত্যুতে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন কর্মকর্তার পদটি শূন্য হয়। তার স্থলাভিষিক্ত হলেন আমিন উদ্দিন।
গত বৃহস্পতিবার জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আমিন উদ্দিনকে অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ দেয় সরকার। আমিন উদ্দিন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতিরও সভাপতি।
সকালে আপিল বিভাগে ভার্চুয়াল আদালতে মামলা পরিচালনায় অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে শুনানিতে অংশ নেন আমিন উদ্দিন। এ সময় অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে রাষ্ট্রের আইন কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন আইনজীবীরা আমিন উদ্দিনকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
আইন মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে আমিন উদ্দিনকে নিয়োগ দেন।
অ্যাটর্নি জেনারেল একটি সাংবিধানিক পদ। সরকারকে সংবিধান, আন্তর্জাতিক চুক্তি এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আইনগত পরামর্শ দিয়ে থাকেন অ্যাটর্নি জেনারেল। এই পদটিতে ২০০৯ সালের ১৩ জানুয়ারি থেকে আমৃত্যু পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করে গেছেন মাহবুবে আলম।
এ এম আমিন উদ্দিন বলেন, প্রথম অগ্রাধিকার হলো মামলার জট কীভাবে দ্রুত শেষ করা যায়, সে ব্যাপারে সুপ্রিম কোর্টের সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে ব্যবস্থা নেয়া। আর প্রয়াত অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম যে কাজগুলো করে গেছেন, সেই কাজগুলো এগিয়ে নেয়া।
তিনি আরও বলেন, ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড করার যে উদ্যোগ প্রধানমন্ত্রী ও আইনমন্ত্রী নিচ্ছেন, সেটা খুবই ইতিবাচক। সমাজে মূল্যবোধটা ফিরিয়ে আনতে হবে।
দেশে নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলা নিষ্পত্তিতে কোনো পদক্ষেপ নেবেন কি-না এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, নারী নির্যাতন ও ধর্ষণ সংক্রান্ত মামলার বিষয়ে দেশের সব আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটরদের (পিপিই) সঙ্গে আলোচনা করে তালিকা ধরে ধরে নিষ্পত্তির জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
এএস





