এক হাজার কোটি টাকার ঋণ জালিয়াতির নথিপত্র চেয়ে আইসিবি ইসলামিক ব্যাংকে চিঠি দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
বুধবার দুদকের অনুসন্ধানী কর্মকর্তা ও উপ পরিচালক মো. জুলফিকার আলী এ চিঠি পাঠান।
এদিকে অভিযোগ রয়েছে, ওয়াহিদুর রহমান নামে জায়িাতির মাধ্যমে আইসিবি ইসলামিক ব্যাংকসহ আরো বেশ কয়েকটি ইসামিক ব্যাংক থেকে প্রায় এক হাজার টাকা ঋণ নিয়ে আত্মসাৎ করেন এক ব্যবসায়ী। এ বিষয়টি বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে। পরে বিষয়টি অনুসন্ধানের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতিবেদনটি দুদকে পাঠায়।
আলোচিত এ ঋণ জালিয়াতির ঘটনা অনুসন্ধানে দুদক গত ২৪ সেপ্টেম্বর একটি টিম গঠন করে।
এদিকে দুদকের উপ-পরিচালক মোঃ জুলফিকার আলীকে এ বিষয়টি অনুসন্ধান করে প্রতিবেদন দাখিল করতে দায়িত্ব দেয়া হয়। ওই দায়িত্ব পাবার পর তিনি সংশ্লিষ্ট ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে নথিপত্র চেয়ে চিঠি পাঠান।
জানা যায়, চারটি বেসরকারি ও একটি বিশেষায়িত সরকারি ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা নিয়ে পালিয়ে যান ওয়াহিদুর রহমান নামক তথাকথিত ব্যবসায়ী। ঘটনাটি পুরনো হলেও এ বিষয়ে মামলা হয়েছে একাধিক। ওয়াহিদুর রহমান বিদেশে অর্থ-সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলেছেন। অথচ ঋণের বিপরীতে তিনি ব্যাংকে যে মর্টগেজ রেখেছেন তাও অক্ষত রয়েছে।
ব্যাংকগুলো ঋণের নামে হাতিয়ে নেয়া অর্থ উদ্ধারে সচেষ্ট হয়নি। ব্যাংকেরই কিছু কর্মকর্তা ওই জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত রয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
বেসিক ব্যাংক থেকে ৭৬৭ কোটি, ইসলামিক আইসিবি ব্যাংক থেকে ১০০ কোটি, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক থেকে ১২৪ কোটি, সিটি ব্যাংক থেকে ৬ কোটি এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইডিএলসি থেকে ২ কোটি ৪০ লাখ টাকা। বেশির ভাগ টাকাই তিনি ঋণ নিয়েছেন ভুয়া ও বেনামি প্রতিষ্ঠানের নামে। ব্যাংকে ঋণের আবেদনপত্রে উল্লেখিত নাম-ঠিকানার সঙ্গে বাস্তবের কোনো মিল নেই।
একে/কেএইচ





