গ্যাটকো দুর্নীতি মামলার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট খারিজ করে হাই কোর্টের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে আপিল আবেদন করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার আইনজীবী। আজ দুপুরে সুপ্রিম কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় খালেদা জিয়ার আইনজীবী ব্যারিষ্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন লিভ টু আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন করেন।
মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, এর আগে হাইকোর্ট গ্যাটকো মামলা চলবে বলে রায় দিয়েছিল। এই রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করা হয়েছে। এতে গ্যাটকো দুর্নীতি মামলা বাতিল চাওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, এখন লিভ টু আপিলটি চেম্বার বিচারপতির আদালতে উত্থাপন করা হবে। তবে কবে কখন উপস্থাপন করা হবে তা সঠিক তারিখ বলেননি।
এর আগে ২০১৫ সালের ৫ আগস্ট গ্যাটকো দুর্নীতি মামলার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন খারিজ করে দেন বিচারপতি মো. নুরুজ্জামান ও বিচারপতি আবদুর রবের বেঞ্চ। একইসঙ্গে আদেশের অনুলিপি বিচারিক আদালতে পৌঁছার দুই মাসের মধ্যে খালেদা জিয়াকে আত্মসমর্পণ করতে বলা হয়।
চলতি বছর ১৫ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টের পূর্নাঙ্গ রায় প্রকাশ পায়। এরপর হাইকোর্টের আদেশ অনুযায়ী ৫ এপ্রিল বিচারিক (নিন্ম) আদালতে আত্মসমর্পন করে জামিন পান তিনি। মামলাটি বর্তমানে ঢাকার বিশেষ জজ আদালতে অভিযোগ গঠন পর্যায়ে রয়েছে বলে জানান ব্যারিস্টার খোকন।
সেনা নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় খালেদার বিরুদ্ধে গ্যাটকোসহ তিনটি মামলা হয়। আদালতের স্থগিতাদেশে আটকে যাওয়ার দীর্ঘদিন পর গত বছর মামলাগুলো সচল করার উদ্যোগ নেয় দুদক। সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া, তার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় ২০০৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর গ্যাটকো দুর্নীতি মামলা দায়ের করেন দুদকের উপ পরিচালক গোলাম শাহরিয়ার চৌধুরী।
মামলায় অভিযোগ করা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান গ্যাটকোকে ঢাকার কমলাপুর আইসিডি ও চট্টগ্রাম বন্দরের কন্টেইনার হ্যান্ডলিংয়ের কাজ পাইয়ে দিয়ে রাষ্ট্রের ১৪ কোটি ৫৬ লাখ ৩৭ হাজার ৬১৬ টাকার ক্ষতি করেছেন।
চারদলীয় জোট সরকারের মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন, এম শামসুল ইসলাম, এম কে আনোয়ার, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, মতিউর রহমান নিজামীও এ মামলার আসামি।
এমআর





