যেসব বিদ্যালয় মাধ্যমিক পরীক্ষায় অংশ নিতে ফরম পূরণ বাবদ শিক্ষা বোর্ড-নির্ধারিত ফি ছাড়াও অতিরিক্ত ফি নিয়েছে, তা ২০ জানুয়ারির মধ্যে ফেরত দিতে বলেছেন হাইকোর্ট।
আজ মঙ্গলবার বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আগামী ১ ফেব্রুয়ারি পরবর্তী আদেশের তারিখ ধার্য করা হয়েছে। একই সঙ্গে সময় সাপেক্ষে ২০টি বিদ্যালয়ের সভাপতি ও প্রধান শিক্ষকদের ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
আজ সকালে আদালতের আদেশ সত্ত্বেও এসএসসির ফরম পূরণে অতিরিক্ত ফি আদায় করার বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে হাইকোর্টে হাজির হয়েছিলেন ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের সভাপতি, বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেননসহ রাজধানীর ২৬টি স্কুলের প্রধানসহ কমিটির সভাপতিরা।
আজ আদালতের আদেশে বলা হয়, ‘আদালত মনে করেন, সচিব ও ১০টি বোর্ডের চেয়ারম্যান এই মর্মে আদেশ জারি করবেন যে সমগ্র বাংলাদেশে যেসব বিদ্যালয় সরকার-নির্ধারিত এসএসসি পরীক্ষার ফি এবং তথা আইনত আদায়যোগ্য ফি-বহির্ভূত কোনো বাড়তি ফি আদায় করিয়াছে, সকল ফি আগামী ২০ জানুয়ারির মধ্যে সকল শিক্ষার্থীকে ফেরত প্রদান করিবে। অন্যথায় ওই সব বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং কমিটি বাতিল বলিয়া গণ্য হইবে। এইসব ম্যানেজিং কমিটির সদস্যরা পরবর্তী তিন বছরের জন্য কোনো ম্যানেজিং কমিটি কিংবা গভর্নিং বডির নির্বাচনের জন্য অযোগ্য বলে বিবেচিত হইবেন।’
মাধ্যমিক (এসএসসি) পরীক্ষায় অংশ নিতে পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে ফরম পূরণ বাবদ বাড়তি ফি আদায় কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে গত ১০ নভেম্বর রুল দেন হাইকোর্ট।
ইআর





