গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় বোমা পুঁতে রেখে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টার মামলায় আরেক তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির সাবেক কর্মকর্তা মুন্সী আতিকুর রহমান আদালতে আংশিক সাক্ষ্য দেন। ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-২–এর বিচারক মমতাজ বেগম আগামী ৪ অক্টোবর পরবর্তী সাক্ষ্যের তারিখ ধার্য করেছেন।

ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি সামছুল হক বলেন, এ ঘটনায় হত্যাচেষ্টা ও বিস্ফোরক আইনে মামলা হয়েছে। সাক্ষী মুন্সী আতিকুর রহমানকে সাক্ষ্য দিতে একাধিকবার সমন দেওয়া হয়েছিল। এ মামলায় অধিকতর তদন্ত কর্মকর্তা নজরুল ইসলামসহ ৬৬ জনের সাক্ষ্য শেষ হয়েছে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০০০ সালের ২২ জুলাই গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় তৎকালীন ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভা ছিল। ওই সভাস্থলের কাছাকাছি স্থানে ৭৬ কেজি ওজনের বোমা মাটিতে পুঁতে রাখা হয়েছিল।

জনসভার দুই দিন আগে পুলিশ ওই বোমা উদ্ধার করে। এ ঘটনায় কোটালীপাড়া থানার পুলিশ হত্যাচেষ্টা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা করে। তদন্তে বেরিয়ে আসে নিষিদ্ধঘোষিত জঙ্গি সংগঠন হরকাতুল জিহাদ-বাংলাদেশ (হুজি-বি) ওই বোমা পুঁতে রেখেছিল। প্রথমে মুফতি হান্নানসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। পরে ২০০৯ সালের ২৯ জুন অধিকতর তদন্ত শেষে মোট ২৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। এ মামলায় মুফতি হান্নানসহ আটজন কারাগারে আছেন। আজ তাঁদের কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়।

এসএ