টাঙ্গাইলের মধুপুরে চলন্ত বাসে গণধর্ষণের পর হত্যার শিকার রূপা খাতুনের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া দাবিতে মানববন্ধন হয়েছে।

রোববার দুপুরে তাড়াশ প্রেসক্লাবের চত্বরে ঢাকাস্থ তাড়াশ সমিতি এ মানববন্ধন আয়োজন করে।

মানবন্ধনে সমিতির সদস্যসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, মুক্তিযোদ্ধা ও বিপুল সংখ্যক তাড়াশবাসী অংশ নেন। প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে চলা মানববন্ধনে বক্তারা রুপা হত্যার বিচার দ্রুত বিচার আইনে করাসহ দরিদ্র এ পরিবারকে ক্ষতিপূরণ ও ছোঁয়া পরিবহনের মালিককে গ্রেফতারের দাবি জানান।

এ সময় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আ' লীগের সভাপতি মো. আব্দুল হক, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আফসার আলী, ঢাকাস্থ তাড়াশ সমিতির সাধারণ সম্পাদক আজিম হায়দার, মুক্তিযোদ্ধা সাইদুর রহমান সাজু, যুবলীগনেতা কামাল হোসেন, যুবদল নেতা মহাব্বত উল্লাহ, শাহানশাহ তালুকদার, রফিকুল ইসলাম, ছাত্রলীগ নেতা আতিকুল ইসলাম, প্রভাষক শাহিনুর রহমান লিটন।

প্রসঙ্গত, গত ২৫ আগস্ট শুক্রবার রাতে বগুড়া থেকে ময়মনসিংহ যাওয়ার পথে চলন্ত বাসে রূপাকে ধর্ষণের পর হত্যা করে পরিবহন শ্রমিকেরা। পরে তার লাশ টাঙ্গাইল জেলার মধুপুর বন এলাকায় ফেলে রাখা হয়। রাতে মধুপুর থানার পুলিশ রূপার লাশ উদ্ধার করে। এরপর শনিবার টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রূপার লাশের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। ওই দিনই টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় কবরস্থানে বেওয়ারিশ লাশ হিসেবে তাকে দাফন করা হয়। গত সোমবার রূপার বড় ভাই হাফিজুল একটি পত্রিকায় বেওয়ারিশ লাশ দাফনের সংবাদ দেখে মধুপুর থানায় এসে বোনের লাশ শনাক্ত করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে অভিযুক্ত পাঁচ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

পরে আদালতে অনুমতিতে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় কবরস্থান থেকে রূপার লাশ তুলে সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার তার গ্রামের বাড়িতে নিয়ে গিয়ে বাবার কবলের পাশে রূপাকে দাফন করা হয়। 

এমএ