এমপিও ভুক্ত বেসরকারি কলেজের অনার্স মাস্টার্স শিক্ষকদের এমপিও নীতিমালা ২০১৩ প্রয়োজনীয় সংশোধনী এবং নন এমপিও শিক্ষকদেরকে কেন এমপিও প্রদানের নির্দেশনা দেয়া হবে তা জানতে চেয়ে রুল জারী করেছেন হাইকোর্ট।

এ বিষয়ে দায়ের করা এক রিট আবেদনের শুনানী করে বিচারপতি কামরুল ইসলাম সিদ্দিকী ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ বুধবার এ আদেশ দেন।

আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানী করেন অ্যাডভোকেট সিদ্দিক উল্লাহ মিয়া। অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোখলেছুর রহমান।

বাংলাদেশ বেসরকারী কলেজ অনার্স মাস্টার্স শিক্ষক সমিতির সভাপতি নেকবর হোসাইন ও সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম,বিলাস বহুল চৌধুরী,নায়েব আলী,দুলাল চন্দ্র কর্মকর, কামরুল ইসলামসহ শিক্ষকরা গত ৫ সেপ্টেম্বর সুপ্রিমকোটে এ রিট আবেদনটি করেন। সে রিটের প্রাথমিক শুনানী করে আজ আদালত এ আদেশ দেন।

আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে শিক্ষা, আইন ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ পাঁচজনকে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

পরে আদালত থেকে বেরিয়ে রিটকারী আইনজীবী বলেন. জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত ডিগ্রি পর্যায়ে কর্মরত শিক্ষক শিক্ষিকারা বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারী নীতিমালা ২০১৩ অনুযায়ী এমপিও (মাসিক পেমেন্ট অর্ডার) পাচ্ছে।

কিন্তু বেসরকারি কলেজের অনার্স মাস্টার্স শিক্ষকরা এ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এ বিষয়ে আমরা প্রয়োজনীয় নির্দেশা চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করলে আদালত শুনানী শেষে এ আদেশ দেন।

সংগঠনের সভাপতি নেকবার হেসাইন বলেন, আমাদেরকে এমপিও দিতে সরকার আন্তরিক থাকলেও আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় আমরা এমপিও সুবিধা পাচ্ছি না। যার দরুন আমারা উচ্চ আদালতের দারস্থ হয়েছি।

এসএম