জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট সংক্রান্ত দুর্নীতি মামলায় হাজিরা শেষে আদালত ত্যাগ করেছেন খালেদা জিয়া।

বুধবার দুপুর সোয়া একটার দিকে গাড়িতে উঠে আদালত ত্যাগ করেন।

এর আগে রাজধানীর বকশীবাজারে ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত তৃতীয় বিশেষ জজ আদালতে হাজিরা দিতে বেলা সাড়ে ১২টার দিকে সেখানে যান খালেদা।

খালেদা ছাড়া জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার অপর পাঁচ আসামি হচ্ছেন- বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেকরহমান, মাগুরার সাবেক এমপি কাজী সালিমুল হক কামাল ওরফে ইকোনো কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, ড. কামালউদ্দিন সিদ্দিকী ও মমিনুর রহমান।

গত ১৮ ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্টের সুপারিশে আইন মন্ত্রণালয় আগের বিচারক বাসুদেব রায়ের বদলে ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ হিসাবে নিয়োগ দেয় আবু আহমেদ জমাদারকে। তিনি আইন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব হিসাবে দায়িত্বে ছিলেন।

গত ১৭ ডিসেম্বর সাক্ষ্যগ্রহণ মুলতবি চেয়ে দুই দফায় খালেদা জিয়ার করা সময়ের আবেদন খারিজ করে দেন আগের বিচারক বাসুদেব রায়। পরে খালেদার আইনজীবীদের তুমুল হট্টগোলের মধ্যেই জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার বাদী ও প্রথম সাক্ষী দুদকের উপ-পরিচালক হারুন-অর-রশিদের আংশিক সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। এরপর বাকি সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য বুধবার দিন ধার্য করে খালেদাকে অবশ্যই আদালতে হাজির করাতে আইনজীবীদের নির্দেশ দেন আদালত।

গত ২২ সেপ্টেম্বর, ১ ডিসেম্বর ও ৮ ডিসেম্বর আরও তিন কার্যদিবসে সাক্ষ্য দেন একই সাক্ষী।

হারুন-অর-রশিদ খালেদার বিরুদ্ধে দায়ের করা অপর মামলা জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলারও বাদী ও প্রথম সাক্ষী। একই আদালতে বিচার চলছে এ মামলারও।

গত ২২ সেপ্টেম্বর জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার প্রথম সাক্ষী বাদী হারুন অর রশিদের সাক্ষ্যগ্রহণ শুরুর পর থেকে আবেদন জানিয়ে সাক্ষ্যগ্রহণ কয়েকবার পিছিয়ে নেন খালেদার আইনজীবীরা। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে খালেদার তিনটি লিভ টু আপিল বিচারাধীন থাকা বা হরতালের কারণ দেখিয়ে এসব আবেদন করা হচ্ছিল। তবে খালেদার সব আপিল ও লিভ টু আপিল সর্বোচ্চ আদালতে খারিজ হয়ে গেছে।

এর আগে বিচারক তার পরিচিতি উল্লেখ করে এ মামলার বিচার কাজ চালাতে রাষ্ট্র, দুদক ও আসামিপক্ষের সহযোগিতা চান।

এএইচ