আইন ও সংবিধান লঙ্গন করার দায়ে তলব করার পর হাইকোর্টে হাজির হয়ে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের পুলিশ সুপার (এসপি) টি এম মোজাহিদুল ইসলাম। ‘ডাকাত হাতেনাতে পেলে পিষে মেরে ফেলুন’-এ ধরনের বক্তব্য দেয়ার কারণে ক্ষমা চেয়েছেন তিনি।
রোববার সকালে তার আইনজীবী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ বিষয়টি আদালতকে জানান। রোববার হাইকোর্টের বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ আজ দুপুরে শুনানির জন্য দিন ধার্য করেন।
গত ২৬ নভেম্বর ‘ডাকাত হাতেনাতে পেলে পিষে মেরে ফেলুন’ শিরোনামে একটি জাতীয় দৈনিকে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ চক্ষু হাসপাতাল চত্বরে চক্ষুশিবিরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসপি টি এম মোজাহিদুল ইসলাম জনগণের উদ্দেশে বলেন, ‘ডাকাত যদি হাতেনাতে পান, তো জলজ্যান্ত ওটাকে পিষে মেরে ফেলুন।
একটা মার্ডার কেস নেব, এটা সত্য কথা এবং এক মাসের মধ্যে ফাইনাল রিপোর্ট দিয়ে চলে আসব। গ্যারান্টি আমার। আমি যদি গ্যারান্টার হই, তবে আপনাদের কোনো ভয় আছে?
প্রকাশিত প্রতিবেদনের অংশ বিশেষ আদালতে তুলে ধরেন বেঞ্চের জ্যেষ্ঠ বিচারক বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক। এরপর আদালত স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে রুল জারি করে। এক সপ্তাহের মধ্যে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, আইন সচিব, পুলিশের আইজি, রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজিসহ সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়। একইসঙ্গে আইজিপি ও এসপি মোজাহিদকে আলাদাভাবে ওই বক্তব্যের বিষয়ে প্রতিবেদন দিতে বলেন হাইকোর্ট।
এমএনজে





