প্রিমিয়ার ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের এভিপি মো. জাহিদ চৌধুরীসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলার অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, চেক জালিয়াতির মাধ্যমে তারা ৬১ কোটি ১০ লাখ ৬৩ হাজার ৯২২ টাকা আত্মসাৎ করেছেন।

অন্য আসামিরা হলেন, ব্যাংকের বংশাল শাখার ম্যানেজার সামসুদ্দিন চৌধুরী, ব্যাংকের রামপুরা শাখার এফভিপি মো. আশরাফুল আযম এবং ওয়ান ব্যাংকের সাভার গণকবাড়ি ইপিজেড শাখার সিনিয়র অফিসার মো. মনিরুজ্জামান।

আজ বৃহস্পতিবার দুদকের নিয়মিত সভায় আসামিদের বিরুদ্ধে এ মামলার অনুমোদন দেয়া হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদকের চেয়ারম্যানের দফতরের এক কর্মকর্তা।

আগামী সপ্তাহে দুদকের অনুসন্ধানী কর্মকর্তা উপ-পরিচালক হারুনূর রশীদ বাদী সংশ্লিষ্ট থানায় দণ্ডবিধির ৪০৯/১০৯ ধারা এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় মামলাটি দায়ের করবেন বলে জানা যায়।

অভিযোগ রয়েছে, অভিযুক্তরা নিজেরা লাভবান করার উদ্দেশ্যে চেক জালিয়াতির মাধ্যমে গ্রাহক ৬১কোটি ১০ লাখ ৬৩ হাজার ৯২২ টাকা আত্মসাৎ করেছেন।

প্রিমিয়ার ব্যাংক কর্তৃক ৭১৫টি চেকের মধ্যে প্রায় ৭০০ চেকের ফটোকপি দুদককে সরবরাহ করা হয়।এর মধ্যে ৩০০ বেশি চেকের স্বাক্ষরের সঙ্গে নমুনা স্বাক্ষরের গড় মিল রয়েছে।

আর স্বাক্ষর গড়মিল থাকলে গ্রাহককে পেমেন্ট দেয়ার বিষয়ে বিভিন্ন নির্দেশনা থাকলেও এ ক্ষেত্রে তা মানা হয়নি। অথচ খালি চোখেই ওই চেকগুলোর স্বাক্ষরের সঙ্গে নমুনা স্বাক্ষরের অমিল সহজেই ধরা পড়ে। এরপরও পুরো টাকাটাই ছাড় করা হয়েছে।

ঢাকা, একে, ১৭জুলাই (টাইমনিউজবিডি.কম) // এআর