গ্রামীণ ব্যাংকের বরিশাল অঞ্চলের সাবেক কেন্দ্র ব্যবস্থাপক মুহাম্মদ সাউফুল ইসলামের বিরুদ্ধে ২ লাখ ৫৭ হাজার ৫৬৪ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ২টি মামলার অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

সোমবার দুদকের নিয়মিত সভায় দুদকের উপ পরিচালক একেএম ফজলুল হককে সংশ্লিষ্ট থানায় ৪০৯/৪৭৭(ক) এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫৯২) ধারায় মামলা ২টি দায়েরের অনুমোদন দেয়া হয়।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে,বরিশাল জেলার উজিরপুর এবং নলছিটি এলাকার লোকজনের সাপ্তাহিক ও মাসিক সঞ্চয়ের টাকা ব্যাংকের ফান্ডে জমা না দিয়ে তিনি আত্মসাৎ করেন।

এর মধ্যে ২০০৯ সালের ১৫ জানুয়ারি থেকে ২৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৯৮ লাখ ৫৯৪ টাকা এবং ২০১০ সালের ৬ জানুয়ারি থেকে ৩১ মে পর্যন্ত ১ লাখ ৫৮ হাজার ৯৭০ টাকা মাসিক ও সাপ্তাহিক সঞ্চয়ের টাকা আত্মসাৎ করেন।

জানা যায়,অভিযোগটি দুদকে আসে গত ৩০ এপ্রিল এবং যাচাই বাছাই শেষে ১৫ মে প্রতিবেদন দাখিল করেন অনুসন্ধানী কর্মকর্তা।

এছাড়া সিটি জেনারেল ইন্সুরেন্সের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (উন্নয়ন) ফাতেমা বেগমের বিরুদ্ধে ৬ লাখ ৮৯ হাজার ৩১৫ টাকা এবং সাবেক ডিজিএম (উন্নয়ন) সাইরাজ আতলাফ শাশার বিরুদ্ধে ২৩ লাখ ২২ হাজার ৭৩৩ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সংশ্লিষ্ট থানায় মামলার অনুমোদন দিয়েছে দুদক।

দুদক উপ পরিচালক বেনজির আহমেদ গত ৪ এপ্রিল প্রাপ্ত অভিযোগ যাচাই বাছাই শেষে গত ১৮ মে আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি ৪০৮/৪২০ দারায় পৃথক ২ মামলার অনুমোদনের জন্য প্রতিবেদন জমা দেন।

নানা অনিয়ম,দুর্নীতি,জবরদখল,অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে নারায়নগঞ্জের মো. নুর হোসেন, সালাহ উদ্দিন, মো. তৈফুর রহমান,  মো. নুর হোসেন মুন্সি, মো. কমর উদ্দিন এবং শরিয়তপুর জেলার নড়িয়ার আফজাল হোসেন মোল্লার বিরুদ্ধে মামলার অনুমোদন দিয়েছে দুদক।

আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি ৪৬৫/৪৬৭/৪৭৮/৪৭১ ও ১০৯ রাধায় মামলা দায়ের হবে।

ঢাকা,একে, ৩০ জুন (টাইমনিউজবিডি.কম)/ এসআর