নারী রোগীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও প্রতিষ্ঠানটির স্টাফ নার্স সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে কেন আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে না-তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
একই সাথে আগামী ৭ ডিসেম্বরের মধ্যে সাইফুল ইসলামকে গ্রেফতার করে আদালতে হাজির করতে গুলশান থানার সহকারী পুলিশ কমিশনার ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
আজ (বৃহস্পতিবার) বিচারপতি কাজী রেজাউল হক ও বিচারপতি আবু তাহের মোহম্মদ সাইফুর রহমানের ডিভিশন বেঞ্চ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে এই আদেশ দেন।
রাজধানীর গুলশানের অভিজাত ইউনাইটেড হাসপাতালের আইসিইউতে সোমবার এক নারী রোগীকে যৌন নিপীড়ন করেন স্টাফ নার্স সাইফুল ইসলাম। এই অভিযোগে সাইফুলকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। এ বিষয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সাইফুলের বিরুদ্ধে কোনো আইনগত ব্যবস্থা নেয়নি।
গত সোমবার ঘটনাটি ঘটলেও গতকাল বুধবার বিষয়টি জানাজানি হয়। এর আগে গত মঙ্গলবার সাইফুলকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ চাকরিচ্যুত করেন।
প্রকাশিত সংবাদে জানা যায়, ওই নারী রোগী ইউনাইটেড হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি ছিলেন। সোমবার (৩০ নভেম্বর) সন্ধ্যায় অস্ত্রোপচারের পর তিনি অচেতন অবস্থায় ছিলেন। জ্ঞান ফিরলে তিনি ওই ব্রাদারের হাতে নিপীড়িত হওয়ার বিষয়টি টের পান। এ নিয়ে তিনি অভিযোগ তুললে ব্রাদার সাইফুলকে বরখাস্ত করা হয়।
যৌন নিপীড়নের সংবাদটি বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় প্রকাশের পর আজ হাইকোর্ট স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে রুল জারি করেন।
কেবি





