জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম আজহারুল ইসলামের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় চতুর্থ দিনের মত রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিখণ্ডন চলছে।
রোববার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে আজহারের বিরুদ্ধে আনীত ৬টি অভিযোগের যুক্তিখণ্ডন শুরু করেছে প্রসিকিউশন।
রাষ্ট্রপক্ষে যুক্তিখন্ডন করছেন প্রসিকিউটর তাপসকান্তি বোল। আদালতে উপস্থিত আছেন চিফ প্রসিকিউটর গোলাম আরিফ টিপু।
আসামি পক্ষে উপস্থিত আছেন অ্যাডভোকেট শিশির মো.মনির।
গত সোমবার প্রসিকিউটর জেহাদ-আল মালুম যুক্তিতর্ক পেশের প্রথম দিনে মুক্তিযুদ্ধকালে আজহারের পরিচিতি, অবস্থান তুলে ধরেছেন।
আজহারের বিরুদ্ধে গত বছর ১২ নভেম্বর ৬টি অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযোগ গঠন করা হয়। তার বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধকালে সংঘটিত ৯ ধরনের মানবতাবিরোধী অপরাধে ৬টি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়েছে, যার মধ্যে সুপিরিয়র রেসপনসিবিলিটির (উর্ধ্বতন নেতৃত্বের দায়) রয়েছে।
অপরাধের মধ্যে রয়েছে গনহত্যা, হত্যা, লুন্ঠন, ধর্ষন, নির্যাতন, আটক, অপহরণ, গুরুতর জখম ও অগ্নিসংযোগ। মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে এ মামলায় ট্রাইব্যুনালের আদেশে রাজধানীর মগবাজারস্থ নিজ বাসা থেকে ২০১২ সালের ২২ আগস্ট আজহারকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।
আজহারের বিরুদ্ধে গত বছর ২৬ ডিসেম্বর থেকে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। প্রসিকিউশনের পক্ষে গত ৭ জূলাই সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়। মোট ১৯ জন সাক্ষি প্রসিকিউশনের পক্ষে সাক্ষ্য দেয়। আসামিপক্ষ সাক্ষিদের জেরা করে। অপরদিকে আসামিপক্ষে সাক্ষ্য দেয় একজন। সাফাই সাক্ষি হিসেবে আজহারের ভাই আনোয়ারুল হক সাক্ষ্য দেন। পরে তাকে জেরা করে প্রসিকিউশন।
ঢাকা, কেএ,২৪ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, এসআর





