গত ২০১১ সালের ১৫ নভেম্বর চট্টগ্রামের স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক এসএম মুজিবুর রহমান দু’টি মামলার আসামীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। ২৯ নভেম্বর থেকে দু’মামলায় একযোগে পুনরায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়।
টানা দু’বছর ধরে সাক্ষ্যগ্রহণের পর ২০১৩ সালের ১০ অক্টোবর তদন্তকারী কর্মকর্তা মনিরুজ্জামানের জেরা শেষ হওয়ার মধ্য দিয়ে সাক্ষ্যগ্রহণ সমাপ্ত ঘোষণা করেন আদালত।
অস্ত্র মামলায় মোট ৫৬ জন এবং চোরচালান মামলায় মোট ৫৩ সাক্ষী সাক্ষ্য দেন।
এর মধ্যে অধিকতর তদন্তের আগে অস্ত্র মামলায় সাক্ষ্য দেন ৩১ জন এবং চোরাচালান মামলায় সাক্ষ্য দেন ২৮ জন।
দু’টি মামলায় পাঁচজন দু’দফা সাক্ষ্য দেন। উভয় অভিযোগ পত্রে পৃথকভাবে ২৬৫ জন সাক্ষী হিসেবে ছিলেন।
দশ ট্রাক অস্ত্র মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন যারা, তারা হলেন, মামলার বাদি আহাদুর রহমান, হাবিলদার গোলাম রসুল, নূর আলম সওদাগর, সার্জেণ্ট মিজানুর রহমান, সুনিল কুমার সেন, কনস্টেবল ইউসুফ আলী, কনস্টেবল মোজাম্মেল হক, জয়নাল আবেদিন, সার্জেণ্ট আলাউদ্দিন ও হেলাল উদ্দিন, সিইউএফএল’র সাবেক প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা মোবিন হোসেন খান, সিইউএফএল’র সাবেক এমডি মহসিন উদ্দিন তালুকদার (বর্তমানে আসামী), চৌকিদার আহমেদ নূর, গোলাম মোরশেদ খান, ওমর ফারুক, নাজিমউদ্দিন, আব্দুল গফুর, মুরাদুজ্জামান, মো.সেকান্দর, আনসার সদস্য কাজী আবু তৈয়ব, মনসুর আলী ও কাইয়ূম বাদশা, সোলাইমান, শাহজাহান, ইসমাইল, আব্দুল কুদ্দুস, এনামুল হক, মো.লোকমান, আব্দুল মতিন মিয়া, মাশরুকুর রহমান, তছলিম উদ্দিন, শেখ আহাম্মদ, সাবেক পুলিশ সুপার মাহমুদুর রহমান, সাবেক শিল্প সচিব ড.শোয়েব আহমেদ, বিসিআইসি’র সাবেক চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল ইমামুজ্জামান বীরবিক্রম, গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএইফআই’র সাবেক মহাপরিচালক অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল সাদিক হাসান রুমি, এনএসআই’র সাবেক পরিচালক অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এনামুর রহমান চৌধুরী, ডিজিএফআই’র সাবেক ডিটাচমেন্ট কমান্ডার অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল একেএম রেজাউর রহমান, এনএসআই’র সাবেক সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ আলী, সিএমপির বন্দর জোনের তৎকালীন উপ-পুলিশ কমিশনার আবদুল্লাহ হেল বাকী, সাবেক পুলিশ কমিশনার এস এম সাব্বির আলী, সাবেক স্বরাষ্ট্র সচিব ওমর ফারুক, সাবেক ডিআইজি (এসবি) শামসুল ইসলাম, সাবেক ডিআইজি (সিআইডি) ফররুখ আহমেদ, গ্রীণওয়েজ ট্রান্সপোর্টের মালিক হাবিবুর রহমান, সাবেক মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মুনতাসির আহমেদ, আবু হান্নান, ওসমান গণি, কিরণ চন্দ্র রায় ও মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান এবং মো.গোলাম মোস্তফা, একেএম মহিউদ্দিন চৌধুরী, মোহাম্মদ আব্দুস সালাম খান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হাসান মাহমুদ তাইয়েবুর রহমান এবং তদন্তকারী কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান চৌধুরী।
[b]ঢাকা, জানুয়ারি ৩০ (টাইমনিউজবিডি.কম) // জিই

[/b]