রাজধানীর মোহাম্মদপুরের একতা হাউজিং এলাকায় মো: শিরু মিয়া (৪৫) নামের এক ঠিকাদার ব্যবসায়ীকে গলাকেটে ও কুপিয়ে হত্যা করেছে।
নিহত শিরু মিয়া ইট, বালুসহ বিভিন্ন নির্মাণসামগ্রী সরবরাহ করতেন। তিনি আদাবরের শেখেরটেক ৯ নম্বর রোডের একটি বাসায় স্ত্রী জোছনা বেগম এবং মামুন ও ইমন নামে দুই ছেলেকে নিয়ে থাকতেন।
শনিবার (০৩ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে মোহাম্মদপুর থানার একতা হাউজিং এলাকার ৮ নম্বর রোডে এই ঘটনাটি ঘটে।
নিহতের ছেলে মো: মামুন জানান, “গাজীপুর থেকে শনিবার সন্ধ্যায় বাবা বাসায় এসেছিলেন। এরপর ঢাকা উদ্যান থেকে ফোন পেয়ে তিনি সেখানে চলে যান। বাসায় ফেরার সময় তার সঙ্গে শেষবারে মতো কথা হয়। পরে একজন লোক ফোন দিয়ে জানান, আমার বাবাকে কারা যেন কুপিয়েছে। পরে তাড়াতাড়ি করে ঘটনাস্থলে এসে দেখি বাবার মৃতদেহ রাস্তার পাশে পড়ে রয়েছে । আমার বাবার সঙ্গে কারো শত্রুতা আছে বলে আমার জানা নেই।”
মৃতের বোন রাশিদা খাতুন বলেন, তার ভাই স্থানীয় কমিশনারের সঙ্গে আওয়ামী লীগের রাজনীতি করতেন। একইসঙ্গে তার ঠিকাদারি ব্যবসা ছিল। ঠিকাদারি ব্যবসা নিয়ে সম্প্রতি কারো সঙ্গে বিরোধ হয়েছিলো বলে তিনি জানান। এলাকার অন্য ঠিকাদারদের সঙ্গে তার বিরোধ চলে আসছিল এবং তাকে ব্যবসা বন্ধ রাখতে বলেছিল। ব্যবসা বন্ধ না রাখার কারণে হইতো তারাই এ হত্যাকাণ্ডটি ঘটিয়েছে।
মোহাম্মদপুর থানার পরিদর্শক (অপারেশন) দুলাল হোসেন জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত জানার চেষ্টা ও হত্যাকারীকে গ্রেফতারে জন্য অভিযান চলছে।
এমবি





