আনন্দ শিপইয়াডের বিরুদ্ধে প্রায় ১ হাজার ৬০০ কোটি টাকার ঋন জালিয়াতি, বিদেশে অর্থ পাচার ও আত্মসাতের ঘটনায় উপ-পরিচালক মীর মো. জয়নুল আবেদীন শিবলীর নেতৃত্বে ৩ সদস্যের অনুসন্ধানী টিম গঠন করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

এ টিমের অপর সদস্যরা হলেন; উপ সহকারী পরিচালক রাফী মো. নাজমুর সাদাত ও উপ সহকারী পরিচালক মো. জয়নুল আবেদীন।

আজ বৃহস্পতিবার কমিশন আনন্দ শিপইয়াডের ঋন জালিয়াতি ও বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগ শক্তভাবে খতিয়ে দেখার জন্য উপ-পরিচালক মীর মো. জয়নুল আবেদীন শিবলীর নেতৃত্বে ৩ সদস্যের টিম পুনরগঠন করে। এর আগে একক ভাবে তিনি অনুসন্ধান করতে গিয়ে নানা প্রতিকূল পরিস্থিতির আশংকা করেন।

ফলে গত সেপ্টেম্বর মাসের শেষ নাগাদ তিনি কমিশনের কাছে  অনুসন্ধানের অগ্রতি জানিয়ে একটি প্রতিবেদন জমা দেন। একই সঙ্গে ৪ সদস্যের একটি শক্তিশালী টিম গঠনের আবেদন জানান।

অভিযোগ রয়েছে, ৭টি ব্যাংক এবং ৭টি লিজিং প্রতিষ্ঠানের কাছ  প্রায় ১৬ শত কোটি টাকার ঋণ জালিয়াতির মাধ্যমে  নিয়ে বিদেশে পাচারের অভিযোগও রয়েছে ওই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে।

দুদকের প্রাথমিক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে আনন্দ শিপইয়ার্ডের কাছ থেকে প্রাপ্ত নথিপত্র, প্রতিষ্ঠানটির এমডি আফরোজা বারীকে জিজ্ঞাসাবাদ লব্ধ তথ্য, অনুসন্ধান কেন্দ্রিক গৃহিত পদক্ষেপ এবং পরবর্তী অনুন্ধান পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়।  সেই সঙ্গে  আনন্দ শিপইয়ার্ডের বৃহৎ এ ঋণ জালিয়াতি অনুসন্ধান এককভাবে চালিয়ে যাওয়া নিরাপদ নয়-এ বিবেচনা থেকে একাধিক কর্মকর্তার সমন্বয়ে টিম গঠনের সুপারিশ করা হয়।

এদিকে আরও জানা যায়, আনন্দ শিপইয়ার্ডের কর্মকর্তা এবং মিডিয়া পরামর্শক হিসেবে পরিচয়দানকারী জনৈক ব্যাক্তি ইতোমধ্যে  জাতীয় একাধিক দৈনিকের সিনিয়র রিপোর্টারকে ব্লাকমেইল করার চেষ্টায় আছেন। এমনকি একাধিক মিডিয়ার প্রভাবশালী সিনিয়র সাংবাদিককে চাকরিচ্যুতির চেষ্টাও করেন। 

একই সঙ্গে প্রশাসনের কর্মকর্তাদেরও নানা ভাবে ম্যানেজ করার চেষ্টায় আছেন। যার ফলে বিষয়টিকে সামনে রেখে দুদক কর্মকর্তারা এবার শতর্কতার সঙ্গে এগুচ্ছেন বলে জানা গেছে।

একে, জেএ