ডেসটিনি-২০০০ লিমিটেডের আরও ৩ শীর্ষ কর্মকর্তার সম্পদ বিবরণী চেয়ে নোটিশ পাঠিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বৃহস্পতিবার দুদকের উপ-পরিচালক শেখ মো. ফানাফিল্যার স্বাক্ষরে পাঠানো নোটিশে ৭ কার্যদিবসের মধ্যে ওই ৩ কর্মকর্তারস্থাবর-অস্থাবর সম্পদের বিবরণী দুদকে দাখিল করতে বলা হয়েছে।

নোটিশ প্রাপ্তরা হলেন- ডেসটিনি-২০০০ লিমিটেডের পরিচালক ও সাবেক ডিএমসিএসএল’র শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা জাকির হোসেন, মো. ফরিদ আকতার ও মিসেস জামসেদ আরা চৌধুরী।

২০০৪ সালের ৫নং আইনের ধারা ২৬ (১) ক্ষমতাবলে সম্পদের বিবরণী চেয়ে নোটিশ পাঠানো হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পদ বিবরণী দাখিল করতে ব্যর্থ হলে অথবা মিথ্যা বিবরণী দাখিল করলে ওই আইনের ২৬(২) অনুসারে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলা হয়েছে।

জানা যায়, গত ২৮ আগস্ট দুদকের উক্ত কর্মকর্তার স্বাক্ষরে ডেসটিনি-২০০০ লিমিটেডের অন্য ৮ কর্মকর্তার সম্পদের বিবরণী চেয়ে নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

নোটিশ প্রাপ্ত ওই ৮ কর্মকর্তার মধ্যে রয়েছেন; সহ-সভাপতি মোহাম্মদ গোফরানুল হক, সাবেক পরিচালক ও ডেসটিনি বিল্ডার্সের পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার শেখ তৈয়বুর রহমান, সাবেক পরিচালক ও ডেসটিনি বিল্ডার্সের পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার নেপাল চন্দ্র বিশ্বাস,পরিচালক ইরফান আহমেদ সানী, মোহাম্মদ মেজবাহ উদ্দিন, সৈয়দ সাজ্জাদ হোসেন, মোহাম্মদ সাঈদ-উর-রহমান ও ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটির সাবেক কোষাধ্যক্ষ মো. আকবর হোসেন সুমন।

অবৈধ সম্পদ অর্জনে অভিযুক্তরা সকলেই দুদকের মামলার আসামি। অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের স্ত্রী এবং তাদের ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিবদের স্বনামে- বেনামে অর্জিত যাবতীয় স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ, দায়- দেনা, আয়ের উৎস ও সম্পদ অর্জনের বিস্তারিত বিবরণী দুদকের সরবরাহ করা নির্ধারিত ছকে দাখিল করতে বলা হয়েছে।

এদিকে ৪ হাজার ১১৯ কোটি ২৪ লাখ ৩৮২ টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগে কলাবাগান থানায় ২টি মামলা করে দুদক। এ মামলায় ডেসটিনি গ্রুপের চেয়ারম্যান ও সাবেক সেনাপ্রধান লে. জেনারেল (অব.) হারুন-অর-রশিদ ও ডেসটিনির এমডি রফিকুল আমীনসহ শীর্ষ ৫১ কর্মকর্তাকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দিয়েছে দুদক।

ঢাকা, একে, ৪ সেপ্টম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, এসআর