আদালত অবমাননার অভিযোগে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর বিরুদ্ধে কেন শাস্তি মূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না- এ বিষয়ে জবাব দাখিলের জন্য আগামী ৯ আগস্ট রোববার নির্ধারণ করেছেন ট্রাইব্যুনাল।
বুধবার সময় আবেদনের প্রেক্ষিতে ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন ৩ সদস্যর বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
বুধবার ব্যাখ্যা প্রদানের জন্য দিন রাখা থাকলেও আইনজীবী তার প্রস্তুতির জন্য পুনঃরায় ট্রাইব্যুনালে সময়ের আবেদন করেন।
এর আগে গত ২২ জুলাই ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর পক্ষে ২ সপ্তাহের সময় আবেদন করেন আওয়ামীপন্থী শীর্ষ আইনজীবী অ্যাডভোকেট আব্দুল বাসেত মজুমদার।
বিচারকদের নিয়ে কটূক্তি করার অভিযোগে গত ১২ জুলাই জাফরুল্লাহ চৌধুরীর বিরুদ্ধে কারণ দর্শাও নোটিশ জারি করেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে ট্রাইব্যুনালে স্বশরীরে হাজির হয়ে কেন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না তার ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়।
এর আগেও আদালত অবমাননার দায়ে জাফরুল্লাহ চৌধুরীকে আসামির কাঠগড়ায় এক ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকার দণ্ড এবং পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করেন ট্রাইব্যুনাল।
গত ৬ জুলাই ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারকদের ‘মানসিক অসুস্থ’ বলায় জাফরুল্লাহর বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ আনার আবেদন করা হয়।
গণজাগরণ মঞ্চের একাংশের আহবায়ক কামাল পাশা চৌধুরী, স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্রের শিল্পী মনোরঞ্জন ঘোষাল, মুক্তিযোদ্ধা আলী আসগর, মুক্তিযোদ্ধা শেখ নজরুল ইসলাম এবং গণজাগরণ মঞ্চের কর্মী এফ এম শাহীন ট্রাইব্যুনালে এ আবেদন করেন।
আদালত অবমাননার দায়ে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীকে গত ১০ জুন এক ঘণ্টার কারাদণ্ড (এজলাসকক্ষে আসামির কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে থাকা) এবং পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে একমাসের কারাদণ্ড দেন ট্রাইব্যুনাল-২।
পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বাইরে বের হয়ে ডা. জাফরুল্লাহ তার বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রায়কে তিনজন বিচারকের মানসিক অসুস্থতার প্রমাণ বলে কটূক্তি করেন।
এমকে





