জামায়াতে ইসলামীর নির্বাহী পরিষদ সদস্য মীর কাসেম আলীর মৃত্যুদণ্ড থেকে খালাস চেয়ে আপিলের রায় পুনর্বিবেচনা (রিভিউ) আবেদনের শুনানির জন্য আপিল বিভাগের কার্যতালিকায় এসেছে।
প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের আপিল বিভাগের বেঞ্চে বুধবারের কার্যতালিকায় আবেদনটি শুনানির জন্য পাঁচ নম্বরে রয়েছে। একই সঙ্গে শুনানি মুলতবি রাখার জন্য আরো একটি আবেদন রয়েছে। বেঞ্চের অন্য বিচারপতিরা হলেন বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী, বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার ও বিচারপতি মোহাম্মদ বজলুর রহমান।
আইনজীবীরা জানান, মীর কাসেম আলীর রিভিউ শুনানির জন্য আট সপ্তাহের সময় চেয়ে একটি আবেদন করা হয়েছে।
মীর কাসেম আলীর পক্ষে শুনানি করবেন সিনিয়র আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন। অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করবেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।
এর আগের গত ২৫ জুলাই আপিল বিভাগ মীর কাসেম আলীর রিভিউ আবেদনের শুনানি জন্য ২৪ আগস্ট দিন নির্ধারণ করেন। গত ২১ জুন আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মীর কাসেম আলীর রিভিউ শুনানি ২৫ জুলাই ধার্য করেন।
গত ১৯ জুন মীর কাসেম আলী মৃত্যুদণ্ড থেকে খালাস চেয়ে রিভিউ আবেদন দায়ের করেন।
রিভিউ আবেদন দায়ের করার পর মীর কাসেম আলীর প্রধান আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন এক ব্রিফিংয়ে বলেছিলেন, ত্রুটিপূর্ণ অভিযোগে মীর কাসেম আলীর মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে। আপিল বিভাগ নিজেরাই স্বীকার করছেন, অভিযোগ ক্রটিপূর্ণ, তার পরও সেই অভিযোগে তারা মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন। এটা ন্যায়বিচারের পরিপন্থী। আমরা মনেকরি, জসিমের মৃত্যুর ব্যাপারে রাষ্ট্রপক্ষে যে অভিযোগ আনা (১১নং অভিযোগ) হয়েছে, সে ব্যাপারে আমরা আপিল বিভাগে রিভিউর পর খালাস পাব।
গত ৬ জুন মীর কাসেম আলীর আপিলের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হয়। গত ৮ মার্চ মীর কাসেম আলীর মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখে তার আপিল আবেদনের সংক্ষিপ্ত রায় ঘোষণা করেন আপিল বিভাগ। ২০১৪ সালের ২ নভেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় মীর কাসেম আলীকে মৃত্যুদণ্ড দেয়।
এমবি





