নারায়ণগঞ্জের সাত খুনের ঘটনায় র্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক কর্নেল জিয়াউল আহসানকে জিজ্ঞাসাবাদে প্রয়োজনীয় তথ্য মিলেছে। তবে কী ধরনের তথ্য মিলেছে, তা বলেননি তদন্ত কমিটির প্রধান শাহজাহান আলী মোল্লা। তদন্তের স্বার্থে তাকে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে বলে জানা গেছে।
বৃহস্পতিবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের তদন্ত দল সচিবালয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। সচিবালয়ের ৬ নম্বর ভবনের ১৪ তলায় সকাল ১০টা থেকে দুপুর পৌনে ২টা পর্যন্ত কর্নেল জিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তদন্ত দলের প্রধান শাহজাহান আলী মোল্লা নিজ দপ্তরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।
নারায়ণগঞ্জে আলোচিত এ সাত খুনের ঘটনা তদন্তে কর্নেল জিয়াউল আহসানের ভূমিকা কী ছিল, তা জানতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।
জিজ্ঞাসাবাদ শেষে জিয়াউল আহসান সাংবাদিকদের বলেন, ‘সাত খুনের ঘটনায় মামলার তদন্ত বিষয়ে আমাকে তথ্য জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। আমি এ সম্পর্কে যা জানি তা বলেছি।’
গত ২৭ এপ্রিল দুপুরে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম ও জ্যেষ্ঠ আইনজীবী চন্দন সরকারসহ সাতজন ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড থেকে অপহৃত হন। এর তিন দিন পর ৩০ এপ্রিল শীতলক্ষ্যা নদীতে একে একে সাতজনেরই লাশ ভেসে ওঠে। এ ঘটনায় নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নূর হোসেনকে প্রধান আসামি করে মামলা করে নজরুলের পরিবার।
সাত খুনের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ উঠলে র্যাব-১১ অধিনায়ক লে. কর্নেল তারেক সাঈদ মোহাম্মাদ, মেজর আরিফ হোসেন এবং লে. কমান্ডার এম এম রানাকে বাধ্যতামূলক অবসর দেওয়া হয়। এ ঘটনায় র্যাবের কোনো সাবেক বা বর্তমান সদস্যের সংশ্লিষ্টতা আছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একজন অতিরিক্ত সচিবের নেতৃত্বে আইন মন্ত্রণালয়ের দুজন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দুজন এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের দুজনসহ মোট সাত সদস্যের একটি তদন্ত দল গঠনের নির্দেশ দেন আদালত। এরপর পৃথকভাবে র্যাবের প্রাক্তন ওই তিন কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এই তদন্ত দল।
ঢাকা, ১৭ জুলাই (টাইমনিউজবিডি.কম) জেএ





