চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে বনানী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় তৃতীয় দফায় রিমান্ড শেষে আদালতে তোলা হলে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
শনিবার (২১ আগস্ট) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশেক ইমামের আদালত পরীমণিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এসময় পরীমণি তার আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত সুরভীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, “আপনারা জামিন চান না কেন? আমি তো পাগল হয়ে যাচ্ছি। আপনারা জামিন চান, আপনারা আমার সঙ্গে কী কথা বলবেন? আমি তো পাগল হয়ে যাবো। আপনারা বুঝতেছেন আমার কি কষ্ট হচ্ছে?”
এদিন বনানী থানায় মাদক দ্রব্য আইনের দায়ের করা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডি পুলিশের পরিদর্শক কাজী গোলাম মোস্তফা পরীমণিকে তৃতীয় দফায় একদিনের রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করেন। এরপর তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।
অন্যদিকে, অ্যাডভোকেট মুজিবুর রহমান ও নীলাঞ্জনা রিফাত সুরভীসহ আসামিপক্ষের অন্য আইনজীবীরা আদালতে পরীমণির সঙ্গে কথা বলা জন্য আবেদন করেন। আদালত সেই আবেদন নামঞ্জুর করে পরীমণিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এর আগে শনিবার (২১ আগস্ট) সকাল ১১টা ৫০ মিনিটে পরীমণিকে ঢাকা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নিয়ে আসা হয়। এরপর আদালতের হাজতখানায় তাকে রাখা হয়। পরে বিকাল পৌনে ৩টায় তাকে এজলাসে হাজির করা হয়।
গত বৃহস্পতিবার (১৯ আগস্ট) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আতিকুল ইসলামের আদালত পরীমণির একদিন, গত ১০ আগস্ট ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দেবব্রত বিশ্বাসের আদালত ২ দিন এবং গত ০৫ আগস্ট একই মামলায় ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মামুনুর রশিদ পরীমণির ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন । তিন দফায় মোট পরীমণিকে ৭ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ০৪ আগস্ট রাতে প্রায় ৪ ঘণ্টার অভিযান চালিয়ে বনানীর বাসা থেকে পরীমণি ও তার সহযোগীকে আটক করে র্যাব। তার বাসা থেকে বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয় বলে জানানো হয়।
এমবি





