তুরাগ পরিবহনে উত্তরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীকে যৌন হয়রানি করার ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন করেছেন সহপাঠীরা।
শনিবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়। মানববন্ধনে গ্রেফতার হওয়া চালক, বাসের ভাড়া আদায়কারী ও চালকের সহকারীর দ্রুত শাস্তি নিশ্চিত করাসহ কয়েক দফা দাবি তুলে ধরা হয়।
মানববন্ধনে উত্তরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০ থেকে ৫০ জন শিক্ষার্থী অংশ নেন। শিক্ষার্থীরা জানান, দোষী ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হলে শান্তিপূর্ণ এই আন্দোলন কঠোর হবে।
গত ২১ এপ্রিল দুপুর ১টার দিকে উত্তরা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রী বাড্ডা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে আসার পথে তুরাগ বাসে যৌন হয়রানির শিকার হন। পথে যাত্রীরা নেমে যেতে থাকলে বাসটি ফাঁকা হয়ে যেতে থাকে।
এতে ভয় পেয়ে শেষ কয়েকজন যাত্রীর সঙ্গে তিনিও বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার গেটে বাস থেকে নামতে যান। তখন হেলপার-কন্ডাক্টর হাত ধরে তাকে আটকানোর চেষ্টা করে। প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে তিনি চলন্ত বাস থেকে লাফিয়ে নেমে নিজেকে রক্ষা করেন।
ওই ঘটনায় ওই ছাত্রীর স্বামী ২২ এপ্রিল বিকেলে বাদী হয়ে গুলশান থানায় একটি মামলা করেন। ঘটনাটি বিশ্ববিদ্যালয়ে জানানোর পরই শিক্ষার্থীরা রাস্তায় নামেন। তারা যাত্রাবাড়ী থেকে আবদুল্লাহপুরগামী তুরাগ পরিবহনের বাসগুলো উত্তরায় পৌঁছালেই সেগুলো থামিয়ে দেন।
বাসের যাত্রীদের অন্য বাসে তুলে দিয়ে চালককে তাদের ক্যাম্পাসের কাছে বাস চালিয়ে নিয়ে যেতে বাধ্য করেন এবং বাসের চাবি কেড়ে নেন। তুরাগ পরিবহনের ৩৫টি বাস আটকে রেখে প্রতিবাদ করেন শিক্ষার্থীরা।
পরদিন ২৩ এপ্রিল ওই বাসের চালক রোমান, বাসের ভাড়া আদায়কারী মনির ও বাসচালকের সহকারী নয়নকে গ্রেফতারের পর রাতেই বাসগুলো পুলিশকে বুঝিয়ে দেন শিক্ষার্থীরা।
এমআর





