রায়পুর উপজেলা সরকারি হাসপাতালের এক শ্রেণির কর্মচারী আর দালাল চক্রের কাছে জিম্মি রোগী ও স্বজনরা। তাদের নানামুখী অত্যাচারে নষ্ট হচ্ছে হাসপাতালের স্বাভাবিক পরিবেশ। রোগীর পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও ওষুধ কেনাসহ সকল কিছুই নিয়ন্ত্রণ করে স্থানীয় দুই প্রভাবশালী সিন্ডিকেট।
সরকার নির্ধারিত ফি’র বাইরে বাড়তি টাকা না দিলে এখানে চিকিত্সা সেবা পাওয়া কঠিন। এতে করে প্রতিদিন চিকিত্সা নিতে আসা হাজার হাজার রোগীর দুর্ভোগ চরমে।
প্রায় ১৬-১৭ বছর ধরে নার্স আরজু, নাছিমা, ইয়াছমিন ও আয়া হাজেরা বদলি না হওয়ায় হাসপাতালের সামনের এস জাহানারা ফার্মেসির মালিক রুমান ও আরমানের সঙ্গে সিন্ডিকেট করে সকল অবৈধ ব্যবসা করছে। রুমান ও আরমান সম্পর্কে আপন ভাই।
তাই হাসপাতালের ওষুধ সরবরাহের লাইসেন্সও আরমান এন্ড ব্রাদার্স নামে। নার্স ও আয়ার চাকরি বদলিযোগ্য হলেও দীর্ঘ ১৬-১৭ বছরেও কোনো বদলি না হওয়ায় তাদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছেন ডাক্তার ও রোগীরা। এ চক্রকে দমন করা অসম্ভব বলেই মনে করে কর্তৃপক্ষ। এরা পুরো হাসপাতালকে জিম্মি করে রাখে এ অভিযোগ রোগী, চিকিত্সক, কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট সবার।
রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা শায়লা জাহান বলেন, তিন বছরের মধ্যে সরকারি চাকরি বদলিযোগ্য হলেও ১৬-১৭ বছর ধরেই এখানে কাজ করছে কিছু নার্স ও আয়া। তাদের বদলির ব্যাপারে আমাদের কিছু করার নেই।
এমএনজে





