র্যাবের মহাপরিচালক বেনজির আহমেদ বলেছেন, আমরা জেনেছি তাকে (সালাহ উদ্দিন আহমেদ) ভারতের একটি মানসিক হাসপাতালে পাওয়া গেছে। আমরা প্রশ্ন রাখতে চাই তিনি মানসিক হাসপাতালে কেন?
তিনি বলেন, কোন বড় দল যদি মানসিক, অপ্রকৃতিস্থ কোন ব্যক্তির হাতে বড় দায়িত্ব তুলে দেয় এবং তিনি যদি সে দায়িত্ব পালক করতে না পেরে পালিয়ে যান তাহলে আমাদের কেন দায়ী করা হল?
মঙ্গলবার রাতে নগরীর পতেঙ্গা র্যাব-৭ এর সদর দপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি যুগ্ম মহাসচিব সালাহ উদ্দিন আহমেদের কথিত নিখোঁজের পর বিএনপি ও পরিবারের পক্ষ থেকে আইনশৃঙ্খলাবাহিনীকে দায়ী করা প্রসঙ্গে এ প্রশ্ন রাখেন র্যাব প্রধান।
গত ১০ মার্চ রাতে উত্তরার একটি বাসা থেকে আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্যরা সালাহ উদ্দিন আহমেদকে ধরে নিয়ে যায় বলে তার পরিবার ও বিএনপি’র পক্ষ থেকে অভিযোগ করে হয়। মঙ্গলবার আকস্মিকভাবে ভারতের মেঘালয় থেকে সালাহ উদ্দিনের টেলিফোন পাওয়ার কথা জানান তার স্ত্রী হাসিনা আহমেদ।
র্যাবের মহাপরিচালক বেনজির আহমেদ বলেন,‘যদি তিনি ভারতে অবস্থান করেন তাহলে আমাদের কেন দায়ী করা হল?’
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে ইঙ্গিত করে বেনজির আহমেদ বলেন,‘পুরনো সংগঠনের দায়িত্বশীল ব্যক্তি পর্যাপ্ত তথ্য উপাত্ত, প্রমাণ ছাড়া রাষ্ট্রের একটি বাহিনীর বিরেুদ্ধে যখন অঙ্গুলি নির্দেশ করেন সেটি দুঃখজনক এবং হতাশাজনক।’
তিনি বলেন,‘রাজনৈতিক অসৎ উদ্দেশ্য নিয়ে কাউকে অভিযুক্ত করা কোন নৈতিকতার মানদণ্ডে গ্রহণযোগ্য নয়। এধরণের দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্যের বিচারের ভার আমরা জনগণের উপর ছেড়ে দিলাম।’
এদিকে মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, “এই বিষয়ে (সালাহ উদ্দিনের সন্ধান) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অফিসিয়ালি কিছু জানে না।”
সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে ১৯৯১-৯৬ মেয়াদে তখনকার প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার এপিএস ছিলেন সালাহ উদ্দিন। পরে তিনি চাকরি ছেড়ে কক্সবাজারের সংসদ সদস্য হন। ২০০১ সালে জোট সরকারে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান তিনি। তার স্ত্রী হাসিনা ২০০৮ সালে সংসদ সদস্য ছিলেন।
এএইচ





