মিয়ানমার থেকে প্রায় প্রতিদিন ঠুকছে চালান। বিনিময়ে হুন্ডির মাধ্যমে মিয়ানমারে পাচার করা হচ্ছে টাকা। এজন্য কক্সবাজার ও চট্টগ্রামে সক্রিয় বহু হুন্ডি চক্র। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, তাদের শনাক্তের কাজ।

এবার আইনের আাওতায় আনার চেষ্টা চলছে। কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্ত দিয়ে মিয়ানমার থেকে ইয়াবা পাচারের ঘটনা নতুন নয়। যা, প্রধানমন্ত্রীর হুঁশিয়ারীর পরও বন্ধ করা যায়নি।

ইয়াবা পাচারকে ঘিরে লেনদেন হয় বিপুল অংকের অর্থের। বিশেষ করে, মিয়ানমার থেকে ইয়াবা পাঠানোর পর, তার বিনিময় মূল্য যাচ্ছে বাংলাদেশ থেকে। আর এই লেনদেন হচ্ছে অবৈধ হুন্ডির মাধ্যমে।

স্থানীয়রা বলছেন, কক্সবাজার শহর আর টেকনাফে অনেকে এই হুন্ডি ব্যবসার সাথে জড়িত। এ বিষয়ে এখনই ব্যবস্থা নেয়ার দাবি সংশ্লিষ্টদের।

চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ কয়েকবছর আগে অবৈধ হুন্ডি ব্যবসায় জড়িত ২৬ জনকে শনাক্ত করেছিল। যাদের বেশিরভাগই টেকনাফের। কক্সবাজার পুলিশ বলছে, শীর্ষ ৫ হুন্ডি ব্যবসায়ী-সহ শতাধিক ব্যক্তি শনাক্ত হয়েছে।

তাদের ধরতে কৌশলে কাজ চলছে বলেও জানান এই কর্মকর্তা। সংশ্লিষ্টদের মতে, মিয়ানমারে অর্থ পাচার রোধ করা গেলে অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসবে ইয়াবা চোরাচালান।
আদর