মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতা বিরোধী অপরাধ মামলায় আটক নেত্রকোনার রাজাকার কমান্ডার ওবায়দুল হক তাহের ও আতাউর রহমান নোনিকে সেফহোমে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমোদন দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল।

বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের নেতৃত্বাধীন ৩ সদস্যর বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

ফলে তাদেরকে এক দিন করে জিজ্ঞাসাবাদ করা যাবে। রাষ্ট্রপক্ষ সেফহোমে তাদেরকে ২ দিন করে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন করেছিলেন।

এ সময় আসামী পক্ষে শুনানী করেন অ্যাডভোকেট তরিকুল ইসলাম এবং রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর সাবিনা ইয়াসমিন খান মুন্নি ও প্রসিকিউটর মোখলেসুর রহমান খান বাদল।

তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগে বলা হয়, "১৯৭১ সালের অক্টোবর মাসে পাক বাহিনীর দোসররা মুক্তিযোদ্ধার সংগঠক বদিউজ্জামান মুক্তাকে সদর উপজেলার লক্ষ্মীগঞ্জ ইউনিয়নের বিরামপুর বাজার থেকে ধরে নিয়ে যায়। তারা মুক্তাকে রশি দিয়ে বেঁধে পুরো শহর ঘুরিয়ে মোক্তারপাড়া ব্রিজের ওপর নিয়ে গুলি করে হত্যা করে লাশ মগড়া নদীতে ফেলে দেয়।"

এ ব্যাপারে মুক্তার ভাতিজা আলী রেজা কাঞ্চন বাদী হয়ে ২০১০ সালের আগস্ট মাসে আতাউর রহমান ননী ও ওবায়দুল হক তাহেরসহ ১২ জনের নামে নেত্রকোনা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি দায়ের করেন।

উল্লেখ্য, গত ১৩ আগস্ট নেত্রকোনা শহরের মোক্তারপাড়া থেকে আতাউর রহমান ননী ও মসজিদ কোয়ার্টার এলাকা থেকে ওবায়দুল হক তাহেরকে গ্রেফতার করে পুলিশ । পরে মামলাটি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে প্রেরণ করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে ৭১ সালে হত্যা, জোর করে ধর্মান্তরতিকরণসহ বেশ কিছু মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ রয়েছে।

 

ঢাকা, কেএ, ২৮ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, এআর