দেশের বহুজাতিক পণ্য রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান নোমান গ্রুপের অন্যতম প্রতিষ্ঠান নোমান কস্পোজিট টেক্সটাইল মিলস লিঃ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মাসুম আজাদের উপর নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে।

প্রতিবাদে রোবরার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন করে এ ঘটনায় অভিযুক্তদের শাস্তির দাবি জানিয়েছে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিভিশন-টিইডি। এদিকে প্রকৌশলী মাসুম আজাদের বিরুদ্ধে ৫ কোটি টাকা লোপাটসহ নানা সময় অসৎ উপায়ের অবলম্বনের অভিযোগ এনেছে খোদ নোমান গ্রুপ।

সংবাদ সম্মেলনে প্রকৌশলী মাসুম আজাদ বলেন, মিথ্যা অভিযোগ এনে, উদ্দেশ্যমূলকভাবে কোম্পানির পরিচালক এএসএম রফিকুল ইসলাম নোমান ও নূরে ইয়াসমিন ফাতেমার নির্দেশে কর্মচারিদের দিয়ে আমার উপর নির্যাতন চালানো হয়।

ঘটনায়, কোম্পানির এই দুই পরিচালকসহ আইনজীবী দীপু, সিকিউরিটি গার্ড হেলাল, পিও বাবলা এবং অজ্ঞাতনামা আরো ৩ জনের নামে মতিঝিল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

এ বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের শাস্তি দাবি জানিয়েছেন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিভিশনের সভাপতি প্রকৌশলী শফিকুর রহমান।

এদিকে যোগাযোগ করা হলে প্রকৌশলী মাসুমের উপর নির্যাতনের অভিযোগ অস্বীকার করেন নোমান গ্রুপের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা মো. নাসির। টাইমনিউজ বিডিকে তিনি বলেন, গত বছরের মাসুম চাকরিতে যোগ দেয়ার পর পরই কোম্পানির নানা বিষয়ে অবৈধ হস্তক্ষেপ ও অনৈতিক কাজে জড়িয়ে পড়েন। সর্বশেষ ৫ নভেম্বর রপ্তানির জন্য প্রস্তুত করা ৫ টন ফেব্রিক্স কাপড়ের স্পট (বাতিল) লটের সঙ্গে ১০ টন ভাল মানের কাপড় চোরায় চালানের সময় ধরা পড়েন।

এই ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে কোম্পানির কয়েকজন কর্মকর্তা মাসুমকে মারধর করে ছেড়ে দেয়। একই সঙ্গে নানা সময় অসৎ উপায়ে কমপক্ষে ৫ কোটি টাকা অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ জানান এই কর্মকর্তা।

এমএ