অবশেষে ডেসটিনি গ্রুপের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিংয়ের ২টি মামলার চার্জশিট আদালতে দাখিল করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সাড়ে  ৩ মাস আগে এই মামলার চার্জশিট দাখিলের  অনুমোদন দেয়  কমিশন।
রোববার দুদকের উপ-পরিচালক মো: মোজাহার আলী সরকার ও সহ-পরিচালক তৌফিকুল ইসলাম এই চার্জশিট দাখিল করেছেন।
এই বিষয়টি সাংবাদিকদের  নিশ্চিত করেছেন দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা।
তিনি  জানান, ২টি মামলার তদন্ত প্রতিবেদনে অভিযুক্ত ৫১ জনের নাম চার্জশিটে বহাল থাকছে।                                                                                        
ডেসটিনির চেয়ারম্যান ও এমডিসহ ৫১ জনের বিরুদ্ধে ৪ হাজার ১১৯  কোটি টাকা পাচারের অভিযোগে ২০১২ সালের ৩১ জুলাই কলাবাগান থানায় মামলা ২টি করে দুদক।
মামলার ১৮ মাসের মাথায় গত ১৬ জানুয়ারি অভিযোগপত্র অনুমোদন করে দুদক। মামলার এজাহার ও প্রমাণাদিসহ মোট নথি ৮১৮ পৃষ্ঠার এর মধ্যে মূল চার্জশিট ২৩৩ পৃষ্ঠা করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ লিঃ এর বিরুদ্ধে করা মামলার অভিযোগপত্রে আসামি করা হয়েছে ৪৬ জনকে। ডেসটিনি ট্রি প্লান্টেশন লিঃ এর বিরুদ্ধে করা মামলার আসামি ১৯ জন। ২ মামলায় অভিন্ন আসামি রয়েছেন ১৪ জন। ডেসটিনি মাল্টি পারপাস কো-অপারেটিভ লিঃ এর বিরুদ্ধে করা মামলায় এক হাজার আটশ ৬১ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে। আর ডেসটিনি ট্রি প্লান্টেশনের মামলায় পাচারের অভিযোগ আনা হয়েছে ২১৩ কোটি ৯০ লাখ টাকা। চার্জশিটে সাক্ষী করা হয়েছে ১৫০ জনকে।
মামলার এজাহারে বলা হয়, ডেসটিনি ২০০০ লিঃ কর্তৃপক্ষ ডেসটিনি ট্রি প্লান্টেশন ও ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটির মাধ্যমে প্রায় ৪ হাজার ১১৯ কোটি টাকা সংগ্রহ করে। কিন্তু বর্তমানে তাদের দুটি অ্যাকাউন্টে ৫৬ লাখ ও ৪ কোটি ৮৭ লাখ টাকা আছে। বাকি ৩ হাজার ২৮৫ কোটি টাকা তারা মানি লন্ডারিংয়ের মাধ্যমে আত্মসাৎ করেছেন। মামলার তদন্ত চলে ১৮ মাস ধরে। তদন্ত পর্যায়ে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান মো. রফিকুল আমীনসহ সংশ্লিষ্টদের বিভিন্ন মেয়াদে রিমান্ডে নেয়া হয়। একজন উপ-পরিচালক ও একজন সহকারী পরিচালক মামলা দুটি তদন্ত করেন। তাদের সহায়তা করেন ৫ সদস্যের একটি টিম।
[b]ঢাকা,একে,৪মে (টাইমনিউজবিডি.কম)//এসআর [/b]