হাজারীবাগ থানা ছাত্রলীগ সভাপতি আরজু মিয়াকে অপহরণের পর হত্যার অভিযোগে র‌্যাব-২ এর অধিনায়কসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদনের গ্রহণযোগ্যতার বিষয়ে আদেশ ২৫ আগস্ট ধার্য করেছেন আদালত।

ঢাকা মহানগর হাকিম শাহরিয়ার মাহমুদ আদনানের আদালত রোববার বিকেলে এ আদেশ দেন। এর আগে, আরজু মিয়ার বড় ভাই মাসুদ রানা এ সংক্রান্ত আবেদন করেন।

মামলায় যাদের অভিযুক্ত করা হয়েছে তারা হলেন র‌্যাব-২ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মাসুদ রানা, র‌্যাব-২ এর ডিএডি শাহেদুর রহমান ও পরিদর্শক ওয়াহিদ এবং র‌্যাব-২ এর সোর্স রতন। মামলায় ছয়জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, ১৭ আগস্ট মোবাইল চুরির অভিযোগে রাজা মিয়াকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় হাজারীবাগ থানা ছাত্রলীগের সভাপতি আরজু মিয়াকে প্রধান আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।

ওই দিন বিকেল ৫টার দিকে পূর্ব পরিকল্পনা মাফিক আরজুকে হাজারীবাগ পার্কের মূল ফটক থেকে হত্যার উদ্দেশ্যে অপহরণ করে কোনো অজ্ঞাতস্থানে লুকিয়ে রাখা হয়।

অপহরণের কোনো এক সময় পরিকল্পিতভাবে আরজুকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এরপর সিকদার মেডিকেলের পেছনে খোলা জায়গায় তার লাশ ফেলে রাখা হয়।

বাদী মাসুদ রানা হাজারীবাগ থানায় গিয়ে বলেন, ‘তথাকথিত বন্দুকযুদ্ধে তার ভাই আরজু মিয়াকে হত্যা করা হয়েছে।

ঘটনাস্থলের আশপাশের লোকদের আমি জিজ্ঞাসা করলে তারা জানান, বিকেল ৫টা থেকে পরের দিন সকাল সাড়ে ৮টা পর্যন্ত ওই এলাকায় কোনো বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটেনি।’

তিনি বলেন, ‘১৯ আগস্ট (বুধবার) র‌্যাব-২ এর সিও প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে স্বীকার করেন, আরজু মিয়া বন্দুকযুদ্ধে মারা গেছেন। এরপর আমি হাজারীবাগ থানায় মামলা দায়ের করতে গেলে থানা মামলাটি গ্রহণ করেনি। থানায় মামলা গ্রহণ না করায় আদালতে মামলার আবেদন করেছি।’

এসএইচ