একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মানবাধিকার সংগঠন ‘অধিকার’কে পর্যবেক্ষকের তালিকা থেকে বাদ দিয়ে নির্বাচন কমিশন (ইসি)’র চিঠির কার্যকারিতা স্থগিতের হাইকোর্টের আদেশ বহাল রয়েছে আপিল বিভাগে।
হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত চেয়ে নির্বাচন কমিশন (ইসি)’র করা আবেদন গতকাল (১৮ ডিসেম্বর) মঙ্গলবার খারিজ করে দেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে আপিল বিভাগের বেঞ্চ।
এর ফলে অধিকার আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পর্যবেক্ষণ করতে পারবে। সংগঠনটির নির্বাচন পর্যবেক্ষণে আর কোনো বাধা থাকলো না।
আদালতে অধিকার -এর পক্ষে শুনানি করেন- জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এএফ হাসান আরিফ। তার সঙ্গে ছিলেন- ব্যারিস্টার নাবিল আহসান। নির্বাচন কমিশনের পক্ষে ছিলেন- আইনজীবী ওবায়দুর রহমান।
গত ১২ ডিসেম্বর বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবির সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ অধিকারকে পর্যবেক্ষকের তালিকা থেকে বাদ দেয়ার নির্বাচন কমিশন (ইসি)’র চিঠির কার্যকারিতা দুইমাসের জন্য স্থগিত করেন।
একই সঙ্গে অধিকার’র নাম পর্যবেক্ষক তালিকা থেকে বাদ দেয়া কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না- তার কারণ জানতে চেয়ে নির্বাচন কমিশনের সংশ্লিষ্টদের প্রতি রুল জারি করেন। বিশেষ বার্তা বাহকের মাধ্যমে এই আদেশ পৌঁছে দিতেও বলেন আদালত। অধিকার’র পক্ষে সভাপতি ড. সি আর আবরার নির্বাচন কমিশন (ইসি)’র চিঠির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদনটি করেছিলেন।
গত ৬ নভেম্বর কোনোরকম নোটিশ ছাড়াই নির্বাচন কমিশন অধিকার’র নাম পর্যবেক্ষকের তালিকা থেকে বাতিল করে। নির্বাচন কমিশন প্রণীত-২০১৭ সালের পর্যবেক্ষণ নীতিমালা অনুযায়ী কোনো পর্যবেক্ষক সংস্থার নাম বাতিল করতে হলে ৭দিনের সময় দিয়ে নোটিশ দিতে হয়। পাশাপাশি আইনজীবীর মাধ্যমে শুনানির সুযোগও দিতে হয়। এইসব উপেক্ষা করে নির্বাচন কমিশন (ইসি) একতরফাভাবে অধিকার’র নাম পর্যবেক্ষক সংস্থার তালিকা থেকে বাদ দেয়।
এমবি





