একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় যুদ্ধাপরাধী পাকিস্তান বাহিনীর ২০০ সেনা সদস্যদের নামের তালিকা প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ গণবিচার আন্দোলন।
রাজধানীর সেগুন বাগিচা স্বাধীনতা হলে আজ দুপুরে সংগঠনটির পক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তালিকা প্রকাশ করা হয়।
সংগঠনটির আহ্বায়ক ও নৌ পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান বলেন, ‘আমাদের কাছে আরও কিছু তথ্য-উপাত্ত আছে। সেগুলো আমি পর্যায়ক্রমে প্রকাশ করব।’
তিনি বলেন, ‘পাকিস্তানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করতে চাই না। পাকিস্তান কূটনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভূত আচরণ করছে। আমাদের কাজ হচ্ছে পাকিস্তানি ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে জনগণের জাগরণ সৃষ্টি করা। এ বিষয়ে সরকারকে সহযোগিতা করা।’
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সংগঠনের আহ্বায়ক আরও বলেন, ‘আমাদের দাবিসমূহ জাতীয় সংসদে উত্থাপনের জন্য স্পিকারের কাছে একটি স্মারকলিপি প্রেরণ করা হবে। আগামীকাল বিকেল ৩টায় জাতীয় প্রেস ক্লাব থেকে কয়েক হাজার মানুষের এক বিশাল মিছিল সহকারে আমরা সংসদ অভিমুখে যাত্রা করব।’
সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রকাশিত তালিকায় গণহত্যা ও যুদ্ধাপরাধের মতো ঘৃণ্য, মানবেতর ঘটনাগুলি নীল নকশা প্রণয়ন ও পরিকল্পনা বাস্তবায়নে নেতৃত্ব দানের অভিযোগে অভিযুক্ত ৬৮ জন।
জেনেভা কনভেনশনসহ আন্তর্জাতিক সকল যুদ্ধনীতি লঙ্ঘন করে সরাসরি গণহত্যা, ধর্ষণ, লুণ্ঠন ও অগ্নিসংযোগে অংশ নেয় ১১৮ জন। ব্যাপক হারে গণহত্যায় অংশ নেয় ১৪ জন। এ ১৪ জনের মধ্যে পাকিস্তান নৌ-বাহিনীর ৩ জন এবং বিমান বাহিনীর ৩ জন।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা সংসদের মহাসচিব এমদাদ হোসেন, চলচ্চিত্র নির্মাতা কাজী হায়াৎ, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন মহাসচিব ওসমান গণি, শিক্ষক নেতা আব্দুল মান্নান চৌধুরী প্রমুখ।
এসএইচ





