সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনী হত্যা মামলার সন্দেহভাজন আসামি তানভীর রহমানের জামিন চেয়ে ফের হাইকোর্টে আবেদন করলেন মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমান।

মঙ্গলবার বিচারপতি মো. রেজাউল হক ও বিচারপতি রবীন্দ্র চন্দ্র ঠাকুরের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে আবেদনের বিষয়টি নিয়ে আংশিক শুনানি হয়।

আদালতে মানবাধিকার কমিশনের পক্ষে শুনানি করেন নারী মানবাধিকার কর্মী অ্যাডভোকেট ফাওজিয়া করিম ফিরোজ। অন্যদিকে রাষ্ট্র পক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট মাহবুবে আলম। ড. মিজানুর রহমান তখন এজলাসে উপস্থিত ছিলেন।

তানভীরের জামিন চেয়ে মানবাধিকার কমিশনের সর্বশেষ এ আবেদনটিতে মূলত যে বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে তা হলো- সন্দেহভাজন এই আসামির বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ গঠন ছাড়াই দীর্ঘদিন তাকে আটকে রাখা হয়েছে;যা মানবাধিকারের লঙ্ঘন।

জামিন প্রসঙ্গে আদালত বলেন- আগামী ১৩ আগস্ট সাগর-রুনি হত্যা মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেবে পুলিশ। পুলিশ এ প্রতিবেদন জমা দিলে তানভীরের জামিনের বিষয়ে শুনানি করা যেতে পারে।’ গত ১৩ জুলাই একই আবেদন করা হয়েছিল মানবাধিকার কমিশনের পক্ষ থেকে।

অ্যাডভোকেট ফাওজিয়া করিম ফিরোজ সাংবাদিকদের জানান, ‘কোনো অভিযোগ গঠন ছাড়াই দীর্ঘদিন তানভীরকে আটক রাখা হয়েছে। কোনো আইনে নেই কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন ছাড়া তাকে দেড় বছর ধরে আটক রাখা যায়। একটা মানুষকে কোনো অভিযোগ ছাড়া এতদিন আটক করে রাখা ঠিক নয়।’

এ জামিন আবেদন সহ তানভীরের জামিন চেয়ে মোট ছয়টি আবেদন জমা পড়লো। এরমধ্যে সর্বশেষ দুটি করা হয়েছে মানবাধিকার কমিশনের পক্ষ থেকে। বাকি দুটি করা হয়েছে তানভীরের ব্যক্তিগত উদ্যোগে।

উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে রাজধানীর পূর্ব রাজাবাজারে নিজেদের বাসায় খুন হন মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার এবং এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি। ওই বছরের ১ অক্টোবর আটক করা হয় তানভীরকে।

ঢাকা, কেএ, ২২ জুলাই, টাইমনিউজবিডি.কম, এনএস