সাবেক ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী দেশে ফেরার পর কোথায় আছেন, সে ব্যাপারে তথ্য নেই সংশ্লিষ্ট কারো কাছে।

অথচ তাকে গ্রেফতার না করায় সংসদে তীব্র সমালোচনা করেছেন সংসদ সদস্যরা। এ ছাড়া বেশ কয়েকটি দল ইতোমধ্যে হরতালও ডেকেছে।

একদিকে তিনি কোথায় অবস্থান করছেন সে ব্যাপারে কোনো তথ্য দিতে পারেনি তার পরিবারের সদস্যরা। অপরদিকে তার ব্যাপারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা কিছু বলতে পারছেন না। তার বিষয়ে জানেন না রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দরাও।

টাঙ্গাইলে লতিফ সিদ্দিকীর বেশ কয়েকজন ঘনিষ্ঠজনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারাও কোনো তথ্য জানাতে পারেননি।

তবে পুলিশ বলছে ভিন্ন কথা। ঢাকা মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার (মিডিয়া) মাসুদুর রহমান বলেন, লতিফ সিদ্দিকী এমন কোনো ব্যক্তি নন যে, তাকে খুঁজে পাওয়া যাবে না। গ্রেফতারের আদেশ পাওয়ামাত্রই তাকে গ্রেফতার করা হবে।

তিনি বলেন, লতিফ সিদ্দিকী একজন সংসদ সদস্য। তাই তাকে গ্রেফতার করতে হলে স্পিকারের অনুমতি লাগবে। লতিফ সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে জারি করা কোনো গ্রেফতারি পরোয়ানার আদেশ তাদের কাছে পৌঁছায়নি। তাকে গ্রেফতারের বিষয়ে যথাযথ আদেশ পাওয়া গেলে তা পালন করা হবে বলেও জানান তিনি।

প্রসঙ্গত, পবিত্র হজ ও তবলিগ জামাত নিয়ে ‘অবমাননাকর’ বক্তব্য দেওয়ায় আবদুল লতিফ সিদ্দিকীকে মন্ত্রিপরিষদ ও দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।

একই সঙ্গে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়ার অভিযোগে দেশের বিভিন্ন আদালতে তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হয়। এর মধ্যে বেশ কয়েকটি মামলায় লতিফ সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন সংশ্লিষ্ট আদালত।

এরই মধ্যে রবিবার রাতে ভারত থেকে দেশে ফিরেছেন সাবেক এই মন্ত্রী। কিন্তু তাকে গ্রেফতার করেনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

এএইচ