মিরপুর ১২ নং সেকশনের বিহারী পল্লীতে ২০ (বিশ) বছরের তরুণী ধর্ষণের শিকার হয়ে ৭ (সাত) মাসের অন্তঃসত্বা অবস্থায় অসহায় জীবন যাপন করছে।

গতকাল ০২/০৭/২০১৬ ইং তারিখে এ ব্যাপারে পল্লবী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ধারা-৯ (১) মামলা হয়েছে। ধর্ষিতা নারী বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন।

ঐ ধর্ষিতার বিবরণে জানা যায় গত ৪ (চার) বছর আগে মিরপুর ১১ নং সেকশন বিহারী পল্লী ২৭ নং রোডের বাসিন্দা তালিবের ছেলে ফিরোজের (কারচুপি) কারখানায় কর্মরত অবস্থায় তার সাথে পরিচয় হয়। ফিরোজ বিভিন্ন সময় নানা রকম প্রলোভন ও বিয়ে করার আশ্বাস দিয়ে ঐ তরুণীর সাথে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলে। গত ২ (দুই) বছর যাবত ফিরোজের কারখানা না থাকলেও তাদের সম্পর্ক চলতে থাকে।

চলতি বছর জানুয়ারি মাসের দিকে ঐ তরুণীকে বিয়ের কথা বলে ফিরোজ তার এক বন্ধুর বাসায় নিয়ে যায় এবং সেখানে রাত্রী যাপন করে। তরুণীর পক্ষ থেকে ফিরোজকে বারবার চাপ প্রয়োগ করে বিয়ের কথা বলা হলে ফিরোজ তাতে কর্ণপাত না করে গর্ভপাত করানোর জন্য ঐ তরুণীকে বিভিন্ন রকম গর্ভ নিরোধক ঔষধ কিনে দেয় এবং ক্লিনিকের ঠিকানা দিয়ে তাকে এবোর্শন করতে বলে।

চার মাস অতিবাহিত হয়ে গেলে তরুণীর মায়ের মাধ্যমে ফিরোজের পরিবার এবং তার বড় ভাইকে বিয়ের প্রস্তাব দেওয়া হয়। কিন্তু‘ ফিরোজের বাবা এবং ভাইয়েরা তাদের সাথে দুর্ব্যবহার এবং এ অবস্থার জন্য ফিরোজ দায়ী নয় বলে গালিগালাজ করে।

এক পর্যায়ে কোনো সুরাহা না পেয়ে তরুণীর মাসহ থানায় এসে মামলা দায়ের করেন।

পুলিশের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা স্বরূপ এসআই কৃষ্ণপদ’র নেতৃত্বে ফিরোজের বাসায় অভিযান চালিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি।

বর্তমানে ফিরোজ পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেফতার করার জন্য জোর তৎপরতা চলছে।

এফএফ