জামালপুর সদরের সাবেক সাব- রেজিস্ট্রার বর্তমানে মাদারীপুর জেলা সাব- রেজিস্ট্রার মির্জা মো. আতাহারকে অবৈধ সম্পদের মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বৃহস্পতিবার দুদকের নিয়মিত সভায় সাব-রেজিস্ট্রার মির্জা মো.আতাহারকে অবৈধ সম্পদের মামলার অভিযোগ থেকে ও সিদ্ধান্ত হয় বলে জানা যায়।

দুদকের এ সিদ্ধান্তের ফলে ওই সাব রেজিষ্ট্রারের সকল অবৈধ সম্পদে আজ বৈধ বলে স্বীকৃতি পাচ্ছে।

জানা যায়,২০১১ সালের ১৯ জানুয়ারি দুদকের সাবেক উপ-পরিচালক মাহফুজা খাতুন বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় ৬ লাখ ৪৯ হাজার টাকার তথ্য গোপন এবং ৪৩ লাখ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভুত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ ছিল। পরে দুদক উপ-পরিচালক মনিরুল ইসলাম মামলাটি তদন্ত করেছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুদকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান,দীর্ঘ ৩ বছর ১০ মাস তদন্ত শেষে কমিশনের এ অনুমোদনের মাধ্যমে দুদকের মামলায় অবৈধ সম্পদকে এখন বৈধ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হল।

সাব-রেজিস্ট্রার মির্জা মো. আতাহারের অঢেল অবৈধ সম্পত্তি রয়েছে। রাজধানীর বনানীতে রয়েছে ৭তলা ভবন। যা ‘স্টোন চিফস’ দিয়ে তৈরি। এ বাড়ি নির্মাণে ব্যয় হয় ১ কোটি ৬ লাখ টাকা। তার নামে টাঙ্গাইলের আকুরটাকুর পাড়ায় ৬ শতক জমি,চুয়াইনগরে ৬ বিঘা জমি, ভূঞাপুরে ৬৪ শতক জমি,মানুরআটায় ১১৪ শতক জমি রয়েছে। এ ছাড়া ব্যাংকে নগদ জমা রয়েছে ৪ লাখ ১৯ হাজার টাকা।

তবে একজন সাধারণ সাব-রেজিস্ট্রারের পক্ষে এতো ধন-সম্পদের মালিক হওয়া দুর্নীতি ছাড়া সম্ভব নয়। দুর্নীতির দায়ে মামলা করলেও দুদক ইচ্ছে করলে যে কোনো লোককেই মামলার দায় থেকে অব্যাহতি দিতে পারেন এটাই তার প্রমাণ।

ঢাকা,একে,১১ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম,এসআর