রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সান্ধ্যকালীন কোর্স চালু ও বিভিন্ন ফি বৃদ্ধির প্রতিবাদে ‘সাধারণ শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি’র ওপর কোন কর্তৃত্ব বলে পুলিশ প্রকাশ্যে গুলি চালিয়েছে তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট।
সোমবার এক রিট আবেদনের শুনানি শেষে বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার ও বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
কোন কর্তৃত্ব বলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের টার্গেট করে পুলিশ গুলি ছুড়েছিল এবং পুলিশ প্রবিধানমালা বেঙ্গল ১৯৪৩ এর ১৫৬ ও ১৫৭ প্রবিধান অনুযায়ী পুলিশ তাদের উর্ধ্বতন কতৃপক্ষের নিকট যে প্রতিবেদন দাখিল করার কথা ছিলো সেই প্রতিবেদন আদালতে দাখিলের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না,তাও জানতে চাওয়া হয়েছে।
আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে বিবাদী স্বরাষ্ট্র সচিব,পুলিশের মহাপরিদর্শক, রাজশাহীর পুলিশ কমিশনার ও মতিহার থানার ওসিকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
এ ছাড়া সাত দিনের মধ্যে পুলিশকে এ ব্যাপারে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।
আদালতে রিট আবেদনকারীর পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী বি এম ইলিয়াস ও ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন আইনজীবী আল আমিন সরকার।
গত ২ ফেব্রুয়ারি রাবিতে সান্ধ্যকোর্স চালু ও ফি বাড়ানোর প্রতিবাদে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে কয়েকটি ছাত্র সংগঠনের আন্দোলনে পুলিশের লাঠিপেটা,টিয়ারশেল ও শটগানের গুলিতে আহত হয় অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী।
এ ঘটনায় কয়েকটি সংগঠন,শিক্ষাবিদসহ ১৪ জনের পক্ষে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি এই রিট আবেদনটি করা হয়।
এর আগে গত ১১ ফেব্রুয়ারি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনরত ‘সাধারণ শিক্ষার্থীদের’ওপর কেন পুলিশ গুলি চালিয়েছে- তা জানতে চেয়ে একই বিবাদীদের উকিল নোটিশ দিয়েছিল জ্যেতির্ময় বড়ুয়া।
বিবাদীরা হলেন -প্রফেসর আকমল হোসেন, খুশি কবির, স্বপন আদনান, আনু মোহাম্মদ, রফিকুল্লাহ খানসহ ১৪বিশ্ব বিদ্যালয়ের শিক্ষক।
[b]ঢাকা, কেএ ৭ এপ্রিল (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেএ[/b]
অপরাধ
শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের গুলি কেন: হাইকোর্ট
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সান্ধ্যকালীন কোর্স চালু ও বিভিন্ন ফি বৃদ্ধির প্রতিবাদে ‘সাধারণ শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি’র ওপর কোন কর্তৃত্ব বলে পুলিশ প্রকাশ্যে গুলি চালিয়েছে তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট





