সাবেক গণপূর্ত এবং বর্তমান প্রবাসী কল্যাণ সচিব ড.  খোন্দকার শওকত হোসেনের বিরুদ্ধে প্লট  জালিয়াতির ৩ মামলার তদন্তে রাজউক বোর্ডের সদস্য শেখ আবদুল মান্নানকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
সোমবার সকাল ১০টা  থেকে  দুপুর ১২টা পর্যন্ত দুদকের উপ-পরিচালক যতন কুমার রায় রাজউক বোর্ড সদস্য (পরিকল্পনা)  শেখ আবদুল মান্নানকে ব্যাপক  জিজ্ঞাসাবাদ করেন।
এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা ও উপ পরিচালক প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য।
জানা যায়,গত ২২ এপ্রিল সচিব ড. খোন্দকার শওকত হোসেন, তার স্ত্রী ও মায়ের নামে প্লট বরাদ্দে জালিয়াতি ও অনিয়মের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মতিঝিল থানায় ৩ মামলা দায়ের  করে দুদক।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, রাজউকের উত্তরা আবাসিক প্রকল্পের ১৪ নম্বর  সেক্টরে  সচিব শওকত  হোসেনের মা জাকিয়া আমজাদ প্রথমে এক ব্যক্তির লিজ প্রাপ্ত ৩ কাঠার প্লট ক্রয় করেন। পরে ওই প্লট  বিমান উড্ডয়ন জোনের অন্তর্ভুক্ত উল্লেখ করে অন্যত্র ৫ কাঠার প্লট বরাদ্দ দিতে তার মা জাকিয়া আমজাদ রাজউকে আবেদন করেন। পরে তাকে ১৩ নম্বর  সেক্টরে ৫ কাঠার একটি প্লট বুঝিয়ে  দেওয়া হয়।
দ্বিতীয় মামলার এজাহারে বলা হয়েছে,সচিব শওকত হোসেন ২০০১ সালে সম্প্রসারিত উত্তরা প্রকল্পে নিজের নামে ৩ কাঠার প্লট বরাদ্দ নেন। পরে ওই প্লটকে ৫ কাঠায় রূপান্তর করেন।  এই প্লট থেকে আবার ২ কাঠা  বিক্রি করে দেন তিনি।
কিন্তু ওই জমি ডেভেলপমেন্টের জন্য একটি প্রতিষ্ঠানকে পুরো ৫ কাঠার আমমোক্তারনামা দেন।
তৃতীয় মামলার এজাহারে বলা হয়, পূর্বাচল প্রকল্পে ২০০৪ সালে সচিব শওকত হোসেন তার স্ত্রী ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ আয়েশা খানমের নামে সাড়ে ৭ কাঠার প্লট বরাদ্দ নিয়ে প্রথমে ১০ কাঠা এবং পরে আবার সাড়ে ১২ কাঠায় উন্নীত করেন।
সচিব ড. খোন্দকার শওকত  হোসেন ক্ষমতার অপব্যবহার করে এ সব জালিয়াতি ও অনিয়ম করেছেন বলে মামলাগুলোর এজাহারে বলা হয়েছে।
[b]ঢাকা. একে, ২৬ মে,(টাইমনিউজবিডি.কম)//এসআর[/b]