ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়ার অভিযোগে দায়ের করা ১০ মামলায় উচ্চ আদালত থেকে জামিন পেয়েছেন প্রাক্তন মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী।
এ জামিনের ফলে তার জামিনে মুক্তি পেতে বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।
মঙ্গলবার বিচারপতি নিজামুল হক ও বিচারপতি ফরিদ আহমদ শিবলীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
এর আগে হাইকোর্টের একই বেঞ্চ থেকে ২৬ মে ৭ মামলায় জামিন পান লতিফ সিদ্দিকী।
আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার জ্যের্তিময় বড়ূয়া, রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ এ কে এম মনিরুজ্জামান কবির।১০ মামলার মধ্যে চট্টগ্রামে ৭টি, লক্ষীপুরে ১টি, চাপাইনবাবগঞ্জে ১টি ও ঢাকায় ১টি।
প্রসঙ্গত, গত বছর ২৯ সেপ্টেমম্বর নিউ ইয়র্কে টাঙ্গাইল সমিতি আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে পবিত্র হজ ও তাবলিগ জামায়াত নিয়ে কটূক্তি করেন তখনকার ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী।
লতিফ সিদ্দিকী বলেন, ‘আমি জামায়াতে ইসলামীর যত বিরোধী, তার চাইতেও হজের ও তাবলিগের বিরোধী। কত ম্যান পাওয়ার নষ্ট হয় তোমরা বিবেচনা করে দেখ। হজের জন্য ২০ লাখ মানুষ আজ সৌদিতে গেছে। এদের কোনো কাজ নাই। এরা কোনো প্রোডাকশনও দিচ্ছে না। শুধু রিডাকশন করছে, শুধু খাচ্ছে। দেশের টাকা নিয়ে গিয়ে ওদের দিচ্ছে। আব্দুল্লাহপুত্র মুহাম্মদ (সা.) কোরাইশদের আর্থিক সুবিধার জন্য হজ উৎসব চালু করেন।’
এ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ওইসব প্রতিবেদনের ভিত্তিতে দেশ ও দেশের বাইরে সমালোচনার ঝড় বয়ে যায়। বিভিন্ন ইসলামিক সংগঠনগুলো প্রাক্তন এই মন্ত্রীর বিচার দাবি করে বিক্ষোভ সমাবেশ করেন। এ ছাড়া ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন আদালতে একের পর এক মামলা দায়ের হয়।
এএইচ





