দুদকের মহা পরিচালকসহ দুদকের ৯ ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন(দুদক)।
দুদকের ৯ ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার মধ্যে রয়েছেন, মহাপরিচালক (ডিজি) কামরুল হোসেন মোল্লাহ, পরিচালক গোলাম ইয়াহিয়া, পরিচালক আবদুল আজিজ ভূঁইয়া , উপ-পরিচালক ঢালী আবুদস সামাদ, উপ-পরিচালক এস এম গোলাম মাওলা সিদ্দিকী ও সাবেক উপ-পরিচালক রঞ্জন কুমার মজুমদার, সহকারী পরিদর্শক আবদুস সোবহান, কোর্ট সহকারী ( পুলিশের এএসআই) নুরুল ইসলাম ও কোট সহকারী পুলিশের এ এসআই ইসহাক ফকির।
আজ সোমবার কমিশন উল্লেখিত ব্যাক্তিদের বিরুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধা সনদ জালিয়াতির মাধ্যমে চাকরির মেয়াদ বৃদ্ধিসহ নানা সুবিধা ভোগ নেয়ার অভিযোগ অনুসন্ধানের জন্য উপ পরিচালক মো. জুলফিকার আলীকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। শোনা যায় দুদকে আরও ১১ জনের বিরুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধা সনদ জালিয়াতির অভিযোগ রয়েছে।
গত ২২ অক্টোবর কমিশন প্রথম দাপে দুদকের ভেতরের ৯ ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার বিরুদ্ধে সনদ জালিয়াতির অনুসন্ধানের অনুমোদন দেয়ার হয়। একই সঙ্গে কমিশন এ প্রতিষ্ঠানের উপ-পরিচালক মো. জুলফিকার আলীর নেতৃত্বে সহকারী পরিচালক রফিকুল ইসলামের সমন্বয়ে ২ সদস্যের একটি অনুসন্ধানী টিম গঠনের সিদ্ধান্ত হয়।
দুদকের ৯ ব্যাক্তি নিজেদের মুক্তিযোদ্ধা পরিচয়ে এবং মুক্তিযোদ্ধা সনদ ব্যবহার করে ইতোমধ্যে চাকরির মেয়াদ বৃদ্ধিসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেছেন।
পরিচালক গোলাম ইয়াহিয়া প্রচলিত নিয়মে চাকরির বয়সসীমা শেষে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে ২ বছর চাকরির মেয়াদ বৃদ্ধি করেন। ইতোমধ্যে তার এক বছর অতিরিক্ত চাকরি করেছেন সেই সঙ্গে আরও সুবিধা অনুযায়ী নিচ্ছেন।
একে/এসএইচ





