সড়ক ও জনপদ বিভাগের (সওজ) সাবেক প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ ফজলুল হকের স্ত্রী সুরাইয়া বেগমের বিরুদ্ধে ১ কোটি ৮৮ লাখ ৯৯ হাজার ৭৯৫ টাকার অবৈধ সম্পদের মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
আজ সোমবার দুদকের উপ পরিচালক মির্জা জাহিদুল আলম বাদী হয়ে রমনা মডেল থানায় দুদক আইন ২০০৪ সালের ২৬/২ ও ২৭/১ ধারায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলা নং-৮। দুদকের নিয়মিত সভায় গত ৩ জুলাই এ মামলা দায়েরের অনুমোদন দেয়া হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা ও উপ-পরিচালক প্রণব কুমার ভট্টাচার্য।
আসামি সুরাইয়া হকের বিরুদ্ধে ১ কোটি ৮৮ লাখ ৯৯ হাজার ৭৯৫ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত (অবৈধ) সম্পদ এর মধ্যে সাড়ে ৯ লাখ টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ রয়েছে।
সুরাইয়া হক ২০১১ সালের ২৬ জুন দুদক সচিবের দফতরে ২ কোটি ১১ লাখ ৯২ হাজার ৬৫৩ টাকর স্থাবর এবং ৪ কোটি ১৬ লাখ ২৪ হাজার ৯৩৪ টাকার অস্থাবর সম্পদ বিবরণী জমা দেন। অর্থাৎ ৬ কোটি ২৮ লাখ ১৭ হাজার ৫৮৭ টাকার সম্পদের মালিক সুরাইয়া হক।
তার সম্পদ বিবরণী পর্যালোচনা করে দুদক পেয়েছে ; উত্তরা মডেল টাউনের ৩নং সেক্টরে ১৮ নং রোডে ১৬ নং প্লটে ৪ কাঠা ১৪ ছটাকের একটি প্লটের মূল্য ১৮লাখ ৭০ হাজার টাকা,অথচ তিনি উল্লেখ করেন মাত্র সাড়ে ৯ লাখ টাকা। উত্তরা ৩ নং সেক্টরে ১৮ নং রোডে ১৬ নং প্লটে ৬ তলা বাড়ি নির্মাণ মূল্য ৫৩ লাখ টাকা।
বনানী ৩ নং রোডে এফ ব্লকে ৪৭ নং প্লটে ১৯৩৫ বর্গফুটের ফ্ল্যাট মূল্য ৩৪ লাখ টাকা,গাজীপুরে ৮ একর জমির সাড়ে ৫৯ লাখ টাকা, বসুন্ধারার ডি ব্লকে ৫ কাঠা প্লটের মূল্য সাড়ে ৮ লাখ টাকা, উত্তরায় ১৫২৩ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাট মূল্য ১৯ লাখ ৭৯ হাজার ৯০০ টাকা।
এছাড়া সুরাইয়া হকের অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে; বাংলাদেশ রিসোর্টস অ্যান্ড হোটেল লিমিটেডের ২ কোটি ১৪ লাখ ৫৬ হাজার টাকার শেয়ার, গুলশানে আইডএলসি নামক লিজিং কোম্পানিতে এফডিআর করেন ১ কোটি ৩০ লাখ টাকা।
তার এসব সম্পদের আয়ের বৈধ কোনো উৎস নেই বলে জানান দুদক কর্মকর্তা মির্জা জাহিদুল আলম।
ঢাকা, একে, ৭ জুলাই (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেএ





