পারটেক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান ও সাবেক এমপি এম এ হাশেম এবং তার দুই ছেলেকে সোনালী ব্যাংকের ১৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
সোমবার দুদকের উপ-পরিচালক মীর মো. জয়নুল আবেদীন শিবলী স্বাক্ষরে এ নোটিশ পাঠানা হয়।নোটিশে তাদের আগামীকাল মঙ্গলবার সকালে দুদকে হাজির থাকতে বলা হয়েছে। নোটিশ প্রাপ্তরা হলেন,টেক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান এম এ হাসেম, তার দুই ছেলে- পারটেক্স সুগার মিলস লিমিটেডের এমডি শওতক আজিজ ও পরিচালক রুবেল আজিজ।
জানা যায়, সোনালী ব্যাংকের বঙ্গবন্ধু এভিনিউ শাখা থেকে ১৫০ কোটি টাকা পারটেক্স গ্রুপ বিদেশ থেকে চিনি আমদানির নামে আত্মসাৎ করে। বিদেশ থেকে অপরিশোধিত চিনি আমদানির নামে ২০১১ সালে ৭ কোটি ৪২ লাখ টাকার এফডিআরের বিপরীতে সোনালী ব্যাংক বঙ্গবন্ধু এভিনিউ শাখায় ১৫০ কোটি টাকার দুটি এলসি খোলে পারটেক্স সুগার মিলস লিমিটেড।
ওই এলসির বিপরীতে ৩০ হাজার টন অপরিশোধিত চিনি আমদানি করলেও তা বিক্রি করে কোনো টাকা ব্যাংকে জমা করা হয়নি। এতে সৃষ্ট পেমেন্ট এগেইনস্ট ডকুমেন্ট (পিএডি) শেণীভুক্ত করে এফডিআর সমন্বয় করার পরও পারটেক্স সুগার মিলসের কাছে সোনালী ব্যাংকের পাওনা দাঁড়ায় ১৩৬ কোটি টাকা।
এদিকে অভিযোগ রয়েছে, মাত্র ৭ কোটি ৪২ লাখ এফডিআরের বিপরীতে সোনালী ব্যাংকের একটি সিন্ডিকেট মোটা অঙ্কের উৎকোচ নিয়ে পারটেক্স গ্রুপকে ১৫০ কোটি টাকার এলসি খোলার সুযোগ করে দেয়। এর আগেই পারটেক্স গ্রুপের ২২ কোটি টাকা অনিয়মিত দায় ছিল। ঋণ অনাদায়ী অবস্থায় নতুন কোনো এলসি খোলা নিয়ম বহির্ভূত।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক এবং সোনালী ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ তদন্তে গত বছর চাঞ্চল্যকর এ ঘটনা বেরিয়ে এলে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য কের্দ্রিয় ব্যাংক থেকে কমিশনে একটি চিঠি পাঠানো হয়। চিঠিতে বলা হয়,সোনালী ব্যাংকের আইটি এফডি বিভাগ এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও ডিজিএমের যোগসাজশে পারটেক্স সুগার মিলের এলসি খোলা হয়।
জানা যায়, পারটেক্স গ্রুপের এলসি খোলায় সহযোগিতা করেছেন ব্যাংকটির সাবেক এমডি হুমায়ুন কবির, যিনি হলমার্ক গ্রুপের আড়াই হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ মামলার অন্যতম আসামি।
ঢাকা,১সেপ্টম্বর টাইমনিউজবিডি.কম,একে,





