টাঙ্গাইলের সখিপুরে সংরক্ষিত বন এলাকার ১০ কিলোমিটারের মধ্যে স্থাপিত সকল স'মিল ও স'মিল মালিকদের তালিকা আগামী ১৪ দিনের মধ্যে আদালতে দাখিলের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
বিচারপতি এম আর হাসান ও বিচারপতি ফরিদ আহমেদের সমন্বেয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ বিষয়ে জারি করা রুলের শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ।
পরে তিনি আদালত থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের বলেন, ওই বনাঞ্চল এলাকার স'মিল মালিকদের তালিকা, লাইসেন্সকৃত স'মিলের তালিকা ও নম্বর, বনাঞ্চলের ১০ কিলোমিটার এলাকার মধ্যে লাইসেন্স এবং লাইসেন্সবিহীন করাতকলের তালিকা জমা দিতে বলা হয়েছে। এছাড়াও ওই বনে দায়িত্বপালনকারী সরকারি কর্মকর্তাদের তালিকা এবং তারা যথাযথ দায়িত্বপালন করছে কিনা তাও আদালতকে জানাতে বলা হয়েছে।
এ জন্য আদালত তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠনও করেছেন। কমিটির সদস্যরা হচ্ছেন, টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও সহকারী বন সংরক্ষক, টাঙ্গাইল।
২০১১ সালের ৫ জুন একটি ইংরেজি দৈনিকে সংরক্ষিত এই বনাঞ্চলে ৫২টি অবৈধ স'মিলের নির্বিচার বন উজাড়ের বিষয়ে প্রকাশিত সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। পরে এ বিষয়ের ওপর জনস্বার্থে এ রিট আবেদন দায়ের করেন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ নামের একটি সংগঠন।
এ রিটে আবেদনের প্রেক্সিতে হাইকোর্ট ওই বছরই সখিপুরে সংরক্ষিত বনের গাছ নিধনে জড়িত সব স'মিলের কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে আদালত রুলও জারি করেন।
কেএইচ





