কুষ্টিয়ায় দুই পক্ষের সংর্ঘষে মহিলাসহ অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ১৫ রাউন্ড শর্টগানের গুলিবর্ষণ করে।

শনিবার রাতে সদর উপজেলার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানার গোপালপুর চরপাড়ায় আরব চেয়ারম্যান ও মোস্তফা গ্রুপের সঙ্গে স্বপন গ্রুপের সংর্ঘষ হয়।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, কলেজছাত্রীসহ তিন জনকে এসিড নিক্ষেপের ঘটনায় দুই পক্ষের চলে আসা বিরোধের জের ধরে এ সংঘর্ষ হয়। এ সময় উভয়পক্ষই ইটপাটকেলের পাশাপাশি দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার করে। এ সংঘর্ষে উভয় পক্ষের কমপক্ষে ১৫ জন আহত হয়েছেন।

আহতদের মধ্যে স্বপন গ্রুপের ৪জনকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এরা হচ্ছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানার গোপালপুর গ্রামের মোজাম্মেল হক (৪০), বিউটি খাতুন (২০), বিশারত আলী (৩০) ও আহম্মদ আলী ( ১৫)।

এদিকে এ সংর্ঘষের খবর পেয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানা পুলিশ সংর্ঘষ এড়াতে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিতে ১৫ রাউন্ড শর্টগানের ফাঁকা গুলি ছোড়ে।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মীর শরিফুল ইসলাম জানান, পরিস্থিতি সামলাতে ফাঁকা গুলিবর্ষণ করা হয়েছে। তবে পুলিশের গুলিতে কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

তিনি আরও জানান, এ সংর্ঘষের সঙ্গে জড়িত কেউ আটক হয়নি। তবে এলাকায় পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ৬ জুলাই সদর উপজেলার গোপালপুর গ্রামে রাতে কলেজছাত্রী সোনিয়াসহ একই পরিবারের তিনজনকে এসিড নিক্ষেপ করলে তারা গুরুতর দ্বগ্ধ হয়।

এরপর এসিড নিক্ষেপের শিকার পরিবারের পক্ষে ওই এলাকার স্বপন প্রতিবাদ করায় প্রতিপক্ষের সঙ্গে সংর্ঘষের সৃষ্টি হয়। এরই অংশ হিসেবে আবারও নতুন করে ২ পক্ষের মধ্যে সংর্ঘষ হয়।

ঢাকা, ২০ জুলাই (টাইমনিউজবিডি.কম) এসআর