অনলাইন জুয়া ও ক্যাসিনো ব্যবসার মূল হোতা সেলিম প্রধানের বনানীর আরেকটি বাসায় অভিযান চালাচ্ছে র্যাব।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে বনানীর ২ নম্বর সড়কের ২২ নম্বর বাসায় র্যাবের অভিযান শুরু হয়েছে।
র্যাব-১ এর অধিনায়ক সারোয়ান বিন কাসেম প্রথম আলোকে এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আজ দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে র্যাব-১ এর বেশ কয়েকটি গাড়ি ওই বাসায় অভিযান চালাতে রওনা দেয়।
এ ছাড়া রাজধানীর গুলশান-২-এলাকায় সেলিম প্রধানের অফিস কাম বাসায় এখনো অভিযান চলছে। বনানীর বাসায় অভিযানের পর বিস্তারিত জানানো হবে।
এর আগে গুলশান-২ এর ১১/এ রোডে সেলিম প্রধানের বাসা থেকে বিপুল পরিমাণ দেশি-বিদেশি মদ, নগদ টাকা ও বিদেশি মুদ্রা জব্দ করে র্যাব। সোমবার রাত সাড়ে ৯টায় গুলশানে সেলিম প্রধানের বাসায় অভিযান শুরু করে র্যাব।
সোমবার দুপুরে থাই এয়ারওয়েজের টিজি-৩২২ নম্বর ফ্লাইটটি ছাড়ার আগমুহূর্তে সেলিম প্রধানকে আটক করা হয়। তিনি বাংলাদেশে অনলাইনে ক্যাসিনো ব্যবসায়ের মূলহোতা বলে জানায় র্যাব।
র্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন্স) কর্নেল তোফায়েল মোস্তফা সরোয়ার বলেন, সেলিম অনলাইন ক্যাসিনো জুয়ার সঙ্গে জড়িত। তিনি ক্যাসিনোর অর্জিত আয় বিদেশে পাচার করে আসছিলেন।
দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, অনলাইনে ক্যাসিনো কেলেঙ্কারিতে আটক সেলিম প্রধান বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ ছিলেন। তারেকের বিভিন্ন পার্টিতে তরুণী সরবরাহের কাজ করতেন সেলিম।
সূত্র জানায়, রাজধানীর বিভিন্ন স্পা ও বিউটি পার্লার যেখানে ভিআইপিদের আসা-যাওয়া রয়েছে সেগুলোতে মেয়ে সরবরাহের কাজ করতেন সেলিম। সেই মেয়েরা ভিআইপিদের বিনোদন দেয়ার কাজ করতেন।
সিলেট থেকে অবৈধভাবে পাথর নিষ্কাশনের কাজ করতেন তিনি। ভারত থেকে বাংলাদেশে গরু পাচারেও ভূমিকা ছিল তার। এসব বিষয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে র্যাব।
এএস





